অযোধ্যার বিতর্কিত জমি রামলালার, মন্দির তৈরির পরিকল্পনা করতে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

ফোর্থ পিলার

দেড় দশক ধরে চলা অযোধ্যার জমি নিয়ে বিতর্ক কাটল। অযোধ্যার বিতর্কিত জমি কার এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে এই মামলার নিষ্পত্তি হয়। সরাসরি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিতর্কিত জমি রামলালা কাছে থাকছে। শুধু তাই নয় সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে পাঁচ একর জমি দেওয়া হবে অন্য জায়গায়।

কেন্দ্রীয় সরকারকে সেই জমি অবিলম্বে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় মন্দির করার জন্য তিন মাসের সময়সীমা ধার্য হয়েছে পরিকল্পনার। এই ক্ষেত্রে ট্রাস্ট তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকার মন্দির তৈরির জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। গতকাল রাতেই প্রকাশিত হয় আজ সকাল বেলা সাড়ে দশটার নাগাদ প্রধান বিচারপতি অযোধ্যা মামলার রায় শোনাবেন।
গোটা দেশজুড়ে শুরু হয়েছিল আলোচনা।

আজ সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্ট অঞ্চলে ছিল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা। দীর্ঘ ৪০ মিনিট ধরে বাদি – বিবাদিপক্ষের সওয়াল-জবাবের বক্তব্যকে বুঝিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি ও ডিভিশন বেঞ্চের পাঁচ বিচারপতি। এই রায় দেওয়া হয় এক একটা অংশের ব্যখ্যার মাধ্যমে। জানানো হয়েছে, অযোধ্যার জমি সেখানে হিন্দুদের পূর্ববর্তী অবস্থানের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। মসজিদ হওয়ার আগে সেখানে নমাজ পড়ার কোনও ঘটনা হত কিনা সে বিষয়ে প্রত্যক্ষ কোনও প্রমাণ মেলেনি।

বিভিন্ন বিষয়কে সামনে রেখে তথ্য-প্রমাণাদি মাধ্যমে শেষপর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট বিতর্কিত জমি ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে। সরাসরি জানিয়ে দেওয়া হয় যে ২.৭ একর জমি ঘিরে বিতর্ক সেখানে মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে রামলালাকে। শুধু তাই নয় কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উত্তরপ্রদেশে পাঁচ একর জমি ওয়াকফ বোর্ডকে অবিলম্বে দিতে হবে। সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের আইনজীবীরা এই নির্দেশ মেনে নিয়েছেন। ওই পাঁচ একর জমিতে আরও বড় করে মসজিদ হবে। একথা জানানো হয়েছে
তাদের পক্ষ থেকে।

আরও ঐতিহাসিক ঘটনা, কেন্দ্রীয় সরকারকে অবিলম্বে তিন মাসের মধ্যে মন্দির তৈরির পরিকল্পনা করতে বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে ট্রাস্ট ব অছি পরিষদ তৈরি করতে হবে। ট্রাস্ট – এর মধ্যে নির্মোহী আখড়াকে যুক্ত করতে হবে। রাম জন্মভূমি ন্যাস কমিটির ভূমিকাকে গুরুত্ব দিতে হবে এই পরিষদে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।