আইনি জটিলতা রয়েছে, এখনই ভারতে পাঠানো হবে না বিজয় মালিয়াকে

ফোর্থ পিলার

এখনই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া যাচ্ছে না বিজয় মালিয়াকে। বেশ কিছু আইনি জটিলতা রয়েছে। তবে দ্রুত যাতে সেই আইনি প্রক্রিয়া শেষ করা যায়, সেজন্য চেষ্টা চলছে৷ সম্প্রতি ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, পলাতক শিল্পপতিকে ভারতে আনতে আইনি বাধা আছে। এর আগে জানা গিয়েছিল, যে কোনও দিন ভারতে পাঠানো হতে পারে বিজয় মালিয়াকে।

বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ হাইকমিশনের মুখপাত্র সংবাদ মাধ্যমকে জানান, তাঁকে যাতে বন্দি করে ভারতে পাঠানো না হয়, সেজন্য বিজয় মাল্য আবেদন করেছিলেন। হাইকোর্টে সেই আবেদন নাকচ হয়ে গিয়েছে। তাঁকে ব্রিটেনের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করতেও বারণ করা হয়েছে। কিন্তু আরও একটি আইনি বিষয়ের নিষ্পত্তি করতে হবে।

মুখপাত্র বলেন, “ব্রিটেনের বিধি অনুযায়ী, যতক্ষণ না সব আইনি বিষয়ের নিষ্পত্তি হচ্ছে, ততক্ষণ কাউকে বন্দি করে স্বদেশে পাঠানো যায় না। বিষয়টি গোপনীয়। আমরা এখনই এসম্পর্কে কিছু জানাতে পারছি না।” আইনি বিষয় নিষ্পত্তি হতে কতদিন লাগবে জানানো হয়নি। কাজেই এখনও ভারতের অপেক্ষা করা ছাড়া গতি নেই।

বিজয় মালিয়াকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার যে আবেদন ভারত সরকারের তরফে করা হয়েছিল, তার বিরুদ্ধে লন্ডন হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মালিয়া। সেখানে হারের পর গত মাসের শুরুতে ব্রিটেনের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন কিংফিশার উড়ান সংস্থার এককালীন কর্ণধার। তবে সেখানেও মালিয়ার আবেদন ধোপে টেকেনি। এবার ভারতে বিজকে ফিরিয়ে আনার ব্যপারে সব সরকারি কাজকর্মও শেষ হয়েছে। এবার যেকোনও সময় কিংফিশার কর্ণধারকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারবে ভারত।

এদিকে ঋণের ১০০ শতাংশই ভারত সরকারকে ফিরিয়ে দিতে চাইছেন বিজয় মালিয়া। পরিবর্তে তাঁর বিরুদ্ধে চলা মামলা বন্ধ করা হোক। কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রের কাছে এই আবেদনই করলেন ‘পলাতক’ বিজয় মালিয়া। ৯ হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগ কিংফিশার এয়ারলাইন্সের নামে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। এরপর তা শোধ করতে না পেরে বিদেশে পালিয়ে যান সংস্থার তৎকালীন কর্ণধার বিজয় মালিয়া।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।