আগামী কাল কি টিকার ছাড়পত্র আসতে চলেছে ভারতে

ফোর্থ পিলার

বছরের শুরুতেই কি ভালো খবর আসতে চলেছে? ২০২০ সাল বিধ্বস্ত করেছে গোটা পৃথিবীকে। আজ শুক্রবার বছরের শেষ দিন। শনিবার থেকে বছরের প্রথম দিন শুরু হচ্ছে। ব্রিটেনে ছাড়পত্র পেয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটিশ সরকার যৌথভাবে তৈরি প্রতিষেধক কোভিশিল্ড। ভারতবর্ষেও জরুরি ভিত্তিতে ছাড়পত্র পাওয়া যেতে পারে প্রতিষেধকের। স্বাস্থ্যমন্ত্রক এই ঘোষণা আগামী কাল করতে পারে। এ কথা শোনা যাচ্ছে।

আমেরিকায় প্রতিষেধক বাজারে আনার জন্য প্রায় প্রস্তুত। ভারতে প্রতিষেধকের কাজ চলছে। শেষপর্যায়ে টিকা আনার জন্য সরকার প্রস্তুত। এই আবহ কয়েকদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে। বিমানবন্দরে ভ্যাকসিন রাখার পরিকাঠামো তৈরি হয়ে গিয়েছে। চারটি রাজ্যে ‘ড্রাই রান’ চলছে প্রতিষেধক দেওয়ার। সেই হিসেবে আগামী কাল সম্ভবত স্বাস্থ্যমন্ত্রক থেকে প্রতিষেধক দেওয়ার বার্তা আসতে পারে।

জানা যাচ্ছে, ১ জানুয়ারি বৈঠকে বসবে কমিটি। সেখানেই ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে। ভারতে ওষুধ প্রস্তুত হওয়ার পর ছাড়পত্র দেওয়া হয়। সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার অধীনস্থ স্বাধীন বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ কমিটি। তাদের ছাড়পত্রের ভিত্তিতেই অনুমোদন দেয় ডিসিসিআই। বৃহস্পতিবার প্রায় ছয় ঘণ্টা বৈঠক হয়েছে প্রতিষেধকের বিষয় নিয়ে। তথ্যের বিশ্লেষণ চলছে। মনে করা হচ্ছে এবার প্রতিষেধকের খবর আসবে।

ভারতে ব্রিটেনের নতুন মিউট্যান্ট স্ট্রেন চলে এসেছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত খবর ২২ জনের শরীরে মিলেছে এই নতুন করোনা ভাইরাস। ব্রিটেনের সঙ্গে বিমান পরিষেবা সম্পর্ক আগামী ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ছিন্ন করা হয়েছে। দিল্লি ও। মহারাষ্ট্রে নাইট কারফিউ চালু হয়েছে পরিস্থিতি নজর রাখছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক প্রত্যেকটি রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। বার্তা দেওয়া হয়েছে। বলা হচ্ছে ব্রিটেন থেকে আসা মানুষদের সঙ্গে অবিলম্বে যোগাযোগ করতে হবে। তাদের সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য নেওয়া প্রয়োজন। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, কোভ্যাকসিন করোনার নতুন স্ট্রেনের উপর কাজ করবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।