আরও বাড়ল পারদ, এবার উধাও হচ্ছে রাতের শীতের

ফোর্থ পিলার

শীত কি তাহলে কার্যত বিদায় নিতে শুরু করেছে? এই প্রশ্ন সম্পূর্ণ ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গে। গত সাতদিন ধরে কার্যত প্রতিদিন বাড়ছে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। পৌষের শীতকাল কার্যত হাড়কাঁপানো হয়ে থাকে। চলতি বছর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বেমানান। সোয়েটার, মাফলার বহুদিন আগেই ত্যাগ করেছে দক্ষিণবঙ্গের মানুষ। এবার রাতের কম্বল উধাও হতে শুরু করছে।

আগে দিনের তাপমাত্রা বাড়ছিল। রাতে ঠান্ডা মালুম হচ্ছিল। গত দুদিন ধরে সেই অনুভূতিও আর পাওয়া যাচ্ছে না। বঙ্গোপসাগরে এক অস্থির পরিস্থিতি চলছে। আবহাওয়া সেইকারণে সম্পূর্ণ বেমানান। এ কথা জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। গত ২৪ ঘন্টায় পারদ আরও বেড়েছে। এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেড়ে প্রায় ২১ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের কাছে রয়েছে। এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ২০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গতকাল রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। স্বাভাবিকের থেকে ৬ ডিগ্রি বেশি। গত সাতদিন ধরে তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ বাড়ছে। আদৌ শীত আসবে কিনা, তাই নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। উচ্চচাপ বলয় তৈরি হয়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ঘিরে। পাশাপাশি রয়েছে পূবালী হাওয়া। এবার পূবালী হওয়ার পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। এছাড়াও সকালে কুয়াশা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।

তাই দিনের তাপমাত্রা বাড়ছিল। এবার রাতের তাপমাত্রাও বাড়তে শুরু করেছে। জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে ফ্যান চলছে পুরোদমে বহু বাড়িতে। পাশাপাশি শুরু হয়ে গিয়েছে সর্দি কাশির সমস্যা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সংক্রান্তির সময় তাপমাত্রা নামতে পারে। তবে বিশেষ কোনও হেরফের হবে না। এ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তিন থেকে চার ডিগ্রি নামার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তার উপস্থিতিও খুব একটা বেশি দিন স্থায়ী হওয়ার নয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।