ঋদ্ধির ব্যাটে কলকাতার স্বপ্ন শেষ, জিতে চনমনে হায়দরাবাদ

ফোর্থ পিলার

শিলিগুড়ির ছেলে কলকাতা নাইট রাইডার্স – এর স্বপ্নভঙ্গ করল। কার্যত তিনটি ম্যাচে ঋদ্ধিমান সাহার ব্যাটিং সানরাইজ হায়দরাবাদকে জেতার মূল লক্ষ্যে পৌঁছে দিয়েছে। ঋদ্ধিমান সাহার ব্যাটে তিনটি ম্যাচে ঝড় উঠেছে। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচেও একইভাবে ব্যাট করে গেলেন সাহা। কলকাতার এবারে শেষ চারে যাওয়ার স্বপ্নভঙ্গ হল। আইপিএল থেকে বিদায় নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

মরণ-বাঁচন ম্যাচ ছিল সানরাইজ হায়দরাবাদের। ম্যাচ না জিতলে আইপিএল থেকে বিদায়। একথা নিশ্চিত ছিল। সেই পরিস্থিতিতে গোটা খেলা কার্যত একপেশে হয়ে গেল। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে শুরুতেই। তবে শেষ পর্যন্ত পোলার্ডের ৪১ রানের ইনিংস কিছুটা স্বস্তি দেয়। ১৪৯ রানে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তাদের ইনিংস শেষ করেছিল। জবাবি ব্যাটিংয়ে ডেভিড ওয়ার্নার ঋদ্ধিমান সাহা ব্যাট করতে নামে। ঋদ্ধিমান সাহা ৫৮ রান করে নটআউট থাকেন। তার মধ্যে সাতটি চার ও একটি ছয় আছে। ডেভিড ওয়ার্নার এক অসাধারণ ইনিংস খেলেন। ৫৮ বলে ৮৫ রান করেন তিনি। কোনও উইকেট না হারিয়ে জয়সূচক রান তুলে নেন তারা। ১৭.১ ওভারে হায়দরাবাদ খেলা শেষ করে।

ঋদ্ধিমান সাহাকে বরাবর পরিণত খেলোয়াড় বলে জানিয়ে এসেছেন সিনিয়ররা। ডেভিড ওয়ার্নার বরাবর তাকে ভরসা করেন। অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সফল অধিনায়ক রিকি পন্টিং বরাবর বলে এসেছেন ঋদ্ধিমান সাহার মধ্যে আলাদা প্রতিভা আছে। অত্যন্ত স্নেহ করেন তাকে। শুধু তাই নয়, তাকে কেন বেশি ম্যাচ খেলাও হয় না? সেই প্রশ্ন করা হয়েছে। ৮৭ রানের একটি ঝোড়ো ইনিংস খেলেছিলেন তিনটি ম্যাচ আগে। সেই ম্যাচ খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল সানরাইজ হায়দরাবাদের কাছে। পরপর তিনটি ম্যাচ হায়দরাবাদ জেতে। প্রত্যেকটি ম্যাচেই ঋদ্ধিমান সাহা সফল।

পাঁচ নম্বরে ছিল সানরাইজ হায়দরাবাদ। এই মুহূর্তে তারা তিন নম্বর স্থানে উঠে এসেছে। রানরেট তাদের যথেষ্ট ভালো। দুই নম্বরে ছিল বিরাট কোহলিরা। গত ম্যাচে তারা হেরে যায়। দিল্লি ক্যাপিটাল জিতেছিল। দিল্লি উঠে এসেছে দুই নম্বরে। চার নম্বরে চলে গিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এক নম্বরে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে উপরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।