এই বছর শেষে টিকা আসার প্রভূত সম্ভাবনা, জানালেন হু-র শীর্ষ বিজ্ঞানী

ফোর্থ পিলার

এই বছরের শেষে করোনার ভ্যাকসিনের টিকা আসতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার শীর্ষ বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন এই আশা করছেন। তিনি জানিয়েছেন, ৪০ রকমের করোনা ভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের চেষ্টা চলছে। অনেকগুলি শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। কাজেই এই বছর টিকা পাওয়ার প্রভূত সম্ভাবনা রয়েছে। যদি এই বছর টিকা না আসে? ২০২১ সালের গোড়ার দিকে টিকা আসবে সাধারণ মানুষের জন্য।

বিশ্বে এখন ৪০ রকম ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলছে। এর মধ্যে ১০ রকমে ভ্যাকসিন তৃতীয় পর্বের ট্রায়ালে রয়েছে। ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি, আমেরিকার মোডার্না, ফাইজার ও বায়োএনটেক, চিনের সিনোফার্মা, সিনোভ্যাক ও ক্যানসিনো বায়োটেকের ভ্যাকসিন চূড়ান্ত পর্বের ট্রায়াল করছে। ভারতে সেরাম ও ভারত বায়োটেকের টিকাও চূড়ান্ত পর্বের ক্লিনিকাল করছে।

সৌম্যা স্বামীনাথন জানিয়েছেন, বিশ্বের প্রথম সারির এই ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলি কাজ করছে। তারা সেফটি ট্রায়ালে পাশ করে যায়, তাহলে বছর শেষের আগেই ভালো খবর আসবে। ভ্যাকসিনের জন্য সবুজসঙ্কেত দেবে রেগুলেটরি কমিটি। সব ঠিক থাকলে এ বছরই টিকা আসার প্রভূত সম্ভাবনা রয়েছে।

করোনা টিকা নিয়ে গত তিন মাস ধরে একের পর এক বার্তা আসছে। তার সত্যতা কতটা রয়েছে? সে নিয়েও প্রশ্ন উঠে বিভিন্ন মহলে। দ্রুত করোনা ভাইরাস টিকা কি করে আবিষ্কার সম্ভব? সে নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। প্রথম টিকা আবিষ্কারের কথা জানায় রাশিয়া। তারা দ্রুত করোনা ভাইরাসের টিকা বাজারে নিয়ে আসবে। এই কথা বলেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কিন্তু রাশিয়ার টিকা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। চিন জানাচ্ছে, তারাও টিকা প্রস্তুত করে ফেলেছে। অক্সফোর্ড তাদের ট্রায়াল’ চালাচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরে। কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা আসে অক্সফোর্ডের ট্রায়ালে। পরে ফের নতুন করে ট্রায়াল’ শুরু হয় বাধা কাটিয়ে।

ভারতেও কোভ্যাকসিন প্রস্তুত করার জন্য কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোই আশাবাদী দ্রুত আবিষ্কার হবে টিকা। অন্যদিকে সিরাম সংস্থা অক্সফোর্ডের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে ভারতে টিকা সরবরাহ করার জন্য। কাদের টিকা দেওয়া হবে? প্রথমে সেই বিষয় নিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে আলোচনা চলছে সরকারি মহলে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।