এগিয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘তওকতে’, তিন রাজ্যে লাল সতর্কতা জারি

ফোর্থ পিলার

আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। ২০২১ সালের প্রথম ঘূর্ণিঝড় হিসেবে পরিচিত হয়েছে এটি। আগামী রবিবার স্থলভাগের উপর আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। ক্রমশ আরব সাগর দিয়ে এগিয়ে আসছে স্থলভাগের দিকে। দিল্লির মৌসম ভবন জানাচ্ছে, কোঙ্কন উপকূলের উপর এই ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে। ঘূর্ণিঝড়ের নাম দিয়েছে মায়ানমার। ‘তওকতে’ এবারে ঘূর্ণিঝড়ের নাম।

শুক্রবার থেকেই তিন রাজ্যে জারি করা হয়েছে লাল সর্তকতা। কর্ণাটক, কেরল, গুজরাটে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মহারাষ্ট্রেও একইভাবে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সমুদ্র উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই বৃষ্টি আরম্ভ হয়ে গিয়েছে। গুজরাটে সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী কাল থেকে আবহাওয়া আরও অবনতি ঘটবে। ইতিমধ্যেই সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় অল্পবিস্তর ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, রবিবার বেলায় অথবা সোমবার সকালে এই ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে। ৮০ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণভাবে ঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার। সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে কড়া নজরদারি শুরু হয়ে গিয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের দল পৌঁছে গিয়েছে সেই সব জায়গায়। আরব সাগর তীরবর্তী সব কটি জায়গাতেই এখন চূড়ান্ত সর্তকতা।

মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হবে। একথা বলছেন আবহাওয়াবিদরা। কেরলের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টিতে গাছ পড়ে যাওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। গত বছর মে মাসে পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। তার ক্ষত এখনও রাজ্যের বিভিন্ন অংশে রয়েছে। এবার আরব সাগরে তৈরি হয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়। শক্তি সঞ্চয় করে সেটি ক্রমশ স্থলভাগের দিকে এগিয়ে আসছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।