এবার চিড়িয়াখানা ও জাতীয় উদ্যান খুলছে রাজ্যে

ফোর্থ পিলার

চিড়িয়াখানা ও জাতীয় উদ্যান, বিনোদন পার্কগুলি ফের খুলছে রাজ্য সরকার। বন দফতর ও পর্যটন দফতর এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে একাধিক বিধিনিষেধ এই বিষয়ে করা হয়েছে। সমস্ত কিছু নিয়মমতো মেনে সাধারণ দর্শকদের উপস্থিত হতে হবে। আগামী ২ অক্টোবর থেকে আলিপুর চিড়িয়াখানা খুলছে। এছাড়াও অন্যান্য চিড়িয়াখানাগুলি ওই দিন থেকেই খুলবে বলে খবর।

এছাড়া চলতি মাসের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে খুলছে জাতীয় উদ্যানগুলি। সাফারিগুলির ক্ষেত্রে বেশ কিছু কড়া নিয়মকানুন রাখা হয়েছে। এই মুহূর্তে হাতির পিঠে চড়ে ভ্রমণ করা যাবে না। জিপগাড়িতে চড়ে সাফারি করার ক্ষেত্রে একটি আসন বাদ দিয়ে বসতে হবে যাত্রীদের। কেবল তাই নয় সমস্ত রকম প্রটোকল মেনেই উদ্যানগুলোতে ছাড় পাওয়া যাবে। ভ্রমণকারীদের যেসব জায়গায় যাবার অনুমতি দেওয়া হবে, কেবল সেখানেই যেতে পারবে দর্শকরা।

গত ২৩ মার্চ থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের চিড়িয়াখানাগুলি। পাশাপাশি বিনোদন পার্ক, জাতীয় উদ্যানগুলিও সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। ছয় মাস পর আনলক ৪ প্রক্রিয়ায় এবার এগুলি খোলা হচ্ছে। সম্পূর্ণ নিয়মনীতি মেনে কাজকর্ম হবে। একথা জানিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

কলকাতা চিড়িয়াখানার ক্ষেত্রে ৫ হাজার লোক আসতে পারবে। বেঙ্গল সাফারির ক্ষেত্রে ৩ হাজার ,দার্জিলিংয়ের চিড়িয়াখানায় ২ হাজার লোক আসতে পারবে। অন্যান্য ছোট চিড়িয়াখানাগুলিতে এক হাজার করে লোক ঢুকতে দেওয়া হবে। চিড়িয়াখানা, জাতীয় উদ্যান ও অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে যাওয়া হবে নির্দিষ্ট দিনে। ১৫ অথবা ১৬ অক্টোবর একটি রিভিউ করা হবে পরিস্থিতির উপর। কোনও নিয়মের পরিবর্তন রয়েছে কিনা খতিয়ে দেখা হবে।

প্রবেশের জন্য টিকিট কাটতে হবে অনলাইনে। না গেলে টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না। একটি ওয়াচ টাওয়ারে ২০ জনের বেশি লোক থাকার অনুমতি দেওয়া হবে না। ১০ বছরের নিচে এবং ৬৫ বছরের উপরে মানুষ ভ্রমণ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে তাদের জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।