এবার ধর্ষক পুলিশ কনস্টেবল, সাহায্য করার অছিলায় রক্ষকই ভক্ষক

ফোর্থ পিলার

এবার ধর্ষণের ঘটনা ওড়িশার পুরীতে। এক্ষেত্রে রক্ষকই ভক্ষক৷ ধর্ষণে অভিযুক্ত এক পুলিশ কনস্টেবল সহ চার জন। ওই পুলিশকর্মীর নাম জিতেন্দ্র শেঠি। সোমবার বিকেলে ঘটনা জানা গিয়েছে। তরুণীকে রাতে পুলিশ কর্মী বলে পরিচয় দিয়েই বাড়ি পৌঁছে দিতে চেয়েছিল ওই চারজন। পুলিশ জিতেন্দ্রকে পাকড়াও করেছে। বাকিদের খোঁজ চলছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাস ধরার জন্য ওই তরুণী নিমাপাড়া টার্মিনালে দাঁড়িয়েছিলেন।
বাসে করেই তাঁর পুরী জেলার কাকাতপুর গ্রামে বাড়ি ফেরার কথা ছিল। তিনি ভুবনেশ্বর থেকে ফিরছিলেন। একটি গাড়ি করে ওই চার জন এসেছিল। তারা নিজেদের পুলিশ কর্মী পরিচয় দেয়৷ তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে, জানানো হয়েছিল। তরুণী রাজি হননি। এরপর তাকে একপ্রকার জোর করেই গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়।

তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঝাদেশ্বরী মন্দিরের কাছে একটি আবাসনে। সেখানেই একটি ঘরে তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। দুজন মিলে তাঁর উপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। সে সময় বাইরে দুজন পাহারা দিচ্ছিল। প্রায় দেড়ঘণ্টার উপর চলে এই নির্যাতন। তবে এর মধ্যেই তরুণী এক কাজ করে৷ সুযোগ বুঝে একজনের প্যান্টের পকেট থেকে আইডি কার্ড তুলে নেয়। সেখান থেকেই ওই পুলিশকর্মীর পরিচয় পাওয়া যায়।

রাতেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ওই পুলিশকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকিদের তল্লাশি চলছে। তরুণীর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।