করোনা আবহে মেডিকেল কলেজেই দুর্গাপুজো, বাজেট ৫ লক্ষ টাকা

ফোর্থ পিলার

করোনা ভাইরাস আবহে মৃন্ময়ী দেবী আসছেন। দুর্গোৎসব ঘিরে বাঙালির একটি অংশের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা প্রবল। বাজারে কেনাকাটা চলছে পুরো উদ্যোমে। হাতে মেরেকেটে দিন ১২ রয়েছে। কলকাতার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতি। বাঁশ বাধার কাজ শুরু হয়েছিল অনেক আগেই। মণ্ডপ তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে। একদিকে গ্রিন বিল্ডিংয়ে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা হচ্ছে। অন্যদিকে বয়েজ হোস্টেলের সামনে চলছে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি।

মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিতর এবার দুর্গাপুজো হবে। এই পুজো ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। তবে পুজো উদ্যোক্তারা কোনও কিছুই খুব একটা গায়ে মাখতে রাজি নন। চিকিৎসক নার্স স্বাস্থ্যকর্মীরা উৎসবে শামিল হতে চান। সেই কথা মাথায় রেখেই এবার দুর্গাপুজো করা হচ্ছে হাসপাতালের ভিতর। এই কথা জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়া গিয়েছে বলে খবর।

কৃষ্ণনগর থেকে প্রতিমা আসছে অনেক আগেই বায়না হয়ে গিয়েছিল প্রতিমা। দ্বিতীয়ার দিন দেবী মণ্ডপে প্রবেশ করবেন। মণ্ডপের কাজ এই মুহূর্তে দ্রুতগতিতে চলছে। ৫ লক্ষ টাকা বাজেট এই দুর্গাপুজোর। চাঁদা তোলা হচ্ছে চিকিৎসক-নার্স স্বাস্থ্যকর্মীদের থেকে। করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসা হচ্ছে এই হাসপাতালে। সেখানে কি করে দুর্গাপুজো করা যেতে পারে? এই প্রশ্ন উঠেছে। শুধু তাই নয়, ডক্টরস ফোরাম থেকে এবার দুর্গাপুজো উৎসব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে না আটকালে করোনা পরিস্থিতি আয়ত্বের বাইরে চলে যাবে। প্রশাসন নির্দিষ্ট নির্দেশিকা দিয়ে সম্পূর্ণ সর্তকতা অবলম্বন করুন। এই দাবি করা হচ্ছে।

এর মধ্যে কি করে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুর্গাপুজো করা যেতে পারে? সেই প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতালের একটি অংশ এই পুজোর বিপক্ষে। তবে প্রকাশ্য বিরোধ কোনও পক্ষ চাইছে না। উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন, কোনওভাবেই চিকিৎসকরা পুজোতে শামিল হতে পারেন না। পরিষেবার কাজেই তাদের থাকতে হয়। এবার করোনা ভাইরাস আবহে পরিস্থিতি আরও জটিল। তারা পারবেন না কোথাও গিয়ে দুর্গাপুজো দেখতে।

সে কারণেই হাসপাতালে পুজো করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রশাসন, সরকার সমস্ত জায়গা থেকেই অনুমতি মিলেছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা যায়। সেগুলি খতিয়ে দেখা হবে। সরকারি নির্দেশিকা মেনে নেই এই পুজো হবে বলে খবর।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।