করোনা আশঙ্কার মধ্যেই সানফ্রান্সিস্কো রওনা হল প্রতিমা

ফোর্থ পিলার

করোনা সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে। শ্রাবণ মাস চলছে এখন। আকাশে পেঁজা তুলোর মেঘ মাঝেমধ্যেই দেখা দিচ্ছে। সামনেই কাশফুলের সময়। শরৎকাল আসার অপেক্ষা। গতবছর করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝড় তুলেছিল গোটা বিশ্ব জুড়ে। বিদেশে কুমোরটুলি থেকে কোনও মূর্তি পাঠানো সম্ভব হয়নি।

পুজোর বাজনা থমকে গিয়েছিল। এবার কিছুটা হলেও আশা দেখছে কুমারটুলি। বিদেশে প্রতিমা পাঠানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। আমেরিকার সানফ্রান্সিস্কোতে রওনা হল কুমারটুলির ফাইবারের দুর্গাপ্রতিমা। এবারে সব থেকে বড় দুর্গা প্রতিমা সানফ্রান্সিস্কোতে যাচ্ছে। এই প্রতিমার উচ্চতা ১০ ফুট ও চওড়ায় ২০ ফুট। শিল্পী কৌশিক বসুর স্টুডিওতে এই প্রতিমা তৈরি হয়েছে। শনিবার জলপথে সানফ্রান্সিসকো পাড়ি দিল প্রতিমা। এবারে প্রতিমার দাম সাড়ে চার লক্ষ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

কৌশিক বাবুর কথায়, এবারে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। মজুরিও বেড়েছে। শুধু তাই নয়, এবার জলপথে অনেকটা ঘুরে প্রতিমা পাঠাতে হচ্ছে। সেই কারণে খরচের পরিমাণ কিছুটা বেড়ে গিয়েছে। বিদেশ থেকে গতবার প্রতিমার জন্য ফোন আসেনি। এবার বেশ কিছু প্রতিমা কৌশিকবাবুর স্টুডিও থেকে বিদেশে পাড়ি দিচ্ছে। ইংল্যান্ড, দুবাই, থাইল্যান্ড, আমেরিকার বিভিন্ন জায়গাতে কৌশিকবাবু প্রতিমা পাঠান। এবারে কুমোরটুলির ব্যস্ততা সামান্য শুরু হয়েছে। রথের পরে কিছুটা কাজ শুরু হচ্ছে।

বাড়ির দুর্গাপুজোর জন্য প্রতিমা বায়না করে গিয়েছেন কিছু মানুষ। যারা বিদেশে প্রতিমা পাঠান তাদের হাতে বায়না এসেছে। বিদেশ থেকে এবার পুজোর জন্য প্রতিমা বুকিং হয়ে গিয়েছে। কিছু কিছু প্রতিমা পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে। এবার তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ কতটা হবে? তাই নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। দুর্গোৎসব এবারে কিভাবে করা হবে? তাই নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এই অবস্থায় কুমারটুলিতে সংশয় থাকছেই। তবে বিদেশে পাঠানোর জন্য প্রতিমার কাজ শেষ মুহূর্তের মধ্যে রয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।