করোনা টেস্টের রিপোর্ট দেখে ছাত্রপড় মিলবে শবরীমালায় ঢোকার, পাম্বানদীতে স্নান নয় এখন

ফোর্থ পিলার

আনলক ৫ পর্যায়ে খুলল শবরীমালা মন্দিরের দরজা। দীর্ঘ সাত মাস পরে শবরীমালা মন্দির খোলা হল সাধারণ পুণ্যার্থীদের জন্য। তবে সম্পূর্ণ নিয়মকানুন মানা হচ্ছে করোনা ভাইরাসের আশঙ্কা থাকছে মন্দির চত্বরে। কড়া ব্যবস্থা নিরাপত্তা বেষ্টনী রয়েছে মন্দিরে। ৪৮ ঘণ্টা আগে দর্শনার্থীদের করোনা ভাইরাস টেস্ট করাতে হবে। সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে। তারপরেই মিলবে মন্দিরে ঢোকার অনুমতি।

জানা গিয়েছে, নিশ্চিদ্র ব্যবস্থা হয়েছে শবরীমালা মন্দিরে। সর্বাপেক্ষা আড়াইশো জন মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। নির্দিষ্ট দূরত্বে দর্শনার্থীদের থাকতে হবে। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। শুধু তাই নয়, বেসক্যাম্পে রাতে থাকা যাবে না। প্রয়োজনে বেসক্যাম্পে করোনা ভাইরাস টেস্ট- এর ব্যবস্থা থাকছে।

মন্দিরে ঢোকার আগে করোনা ভাইরাসের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। যদি কোনও ব্যক্তির আগে করোনা ভাইরাস হয়ে যায়, তিনি মন্দিরে ঢোকার ছাড়পত্র পাবেন না। কোনও উপসর্গ শরীরে থাকলে তা হলেও সেই ব্যক্তিকে মন্দিরে ঢুকতে দেওয়া হবে না। যদি কোনও করোনা রিপোর্ট দেখে সন্দেহ হয়, সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির বেস্ট ক্যাম্পেই করোনা টেস্ট করা যাবে। অ্যান্টিজেন টেস্টের ব্যবস্থা থাকছে বলে খবর। শবরীমালা মন্দির মার্চ মাস থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। কেরল সরকার আনলক পর্যায়ে একে একে ধর্ম স্থানগুলো খোলা ছাড়পত্র দিয়েছিল।

আয়াপ্পার মন্দিরে পুজো দেওয়ার আচার ও ভোগ বিতরণে মানতে হবে কড়া নিয়ম। নেয়াভিষেকাম (ঘি অভিষেকম) ও আনন্দানম (ভোগ বিতরণের আচার) বিধি পালনেও বিধিনিষেধ আছে। সেইসব মানতে হবে পূজারী ও ভক্তদের। পাম্বা নদীতে এখন স্নান করার অনুমতি নেই। মন্দির চত্বরে সাওয়ার সিস্টেম করা হবে। প্রসাদ বিতরণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম হয়েছে। স্টিলের পাত্রে জল দেওয়া হবে পুণ্যার্থীদের। সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় তাই এই ব্যবস্থা।

শবরীমালা মন্দির খোলা নিয়ে যথেষ্ট জটিলতা থাকে। দীর্ঘ ৭ মাস পর এই মন্দির খোলার ছাড়পত্র পাওয়া গেল। দক্ষিণ ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্দির এটি। বহু পুণ্যার্থী আসেন পুজো দিতে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। তাই সামাজিক বিধিনিষেধ কিভাবে মানা হবে? তা নিয়ে আশঙ্কা ছিল। বয়স বেঁধে দেওয়া হয়েছে আগত দর্শনার্থীদের। ১০ থেকে ৬০ বছর পর্যন্ত বয়সী মানুষরা আসতে পারবেন এখানে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।