করোনা মুক্ত বুদ্ধবাবু, বাড়ি ফিরলেন দুপুরে

ফোর্থ পিলার

করোনার যুদ্ধ জয় করলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সম্পূর্ণ সুস্থ। তিনি আজ দুপুরে বালিগঞ্জে পাম এভিনিউর বাড়িতে পৌছলেন। সকালেই জানানো হয়েছিল এন্টালির হাসপাতাল থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। আর আইসোলেশনে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও মীরা ভট্টাচার্যকে থাকতে হবে না।

শারীরিক অসুস্থতা এই মুহূর্তে আর নেই। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই বুদ্ধবাবুকে আগামী দিনগুলিতে থাকতে হবে। একথা কঠোরভাবে জানানো হয়েছে। করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পরে একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা যেতে পারে। তাই চিকিৎসকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে বুদ্ধবাবুকে। এই মাসের প্রথমে বুদ্ধবাবুকে উডল্যান্ডস হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। শারীরিক সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। আর উডল্যান্ডস হাসপাতাল রেখে চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। একথা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল।

কিন্তু বুদ্ধবাবু তখনও করোনামুক্ত হননি। সেই হিসেবে বুদ্ধবাবু ও মীরা ভট্টাচার্যকে এন্টালির একটি হাসপাতালে রাখার কথা স্থির হয়েছিল। বেলেঘাটা সিআইডি রোডের ওই হাসপাতালে তারা দুজনে আইসোলেশনে ছিলেন। চিকিৎসকরা তাদের শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখছিলেন। বাকি অসুস্থতা দ্রুত কাটিয়ে ওঠেন বুদ্ধবাবু। আইসিএমআরের গাইডলাইন অনুযায়ী বুদ্ধবাবু করোনা মুক্ত হয়েছেন। আর তার আইসোলেশনে থাকার প্রয়োজনীয়তাও নেই। এই অবস্থানে আজ তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়। দুপুরের পরে বুদ্ধবাবু বাড়িতে পৌঁছেছেন।

গত মাসের ১৮ তারিখ করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। হঠাৎ করেই তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে। অক্সিগেন স্যাচুরেশন লেভেল ৮০ থেকে ৮২- তে নেমে যায়। ফলে যথেষ্ট উদ্বেগ ছড়িয়েছিল তাকে নিয়ে। দ্রুত বুদ্ধবাবুকে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। প্রথমে ওষুধে সামান্য কাজ করা শুরু হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে৷ একাধিক অসুস্থতা আসতে শুরু করে। সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করে শরীরে। যদিও সমস্ত প্রতিকূলতাকে বুদ্ধবাবু কাটিয়ে উঠতে সমর্থ হয়েছেন। করোনা যোদ্ধা হিসেবে বুদ্ধবাবু এগিয়ে থাকলেও অনেকটাই। সিওপিডি সমস্যা আছে তার। তাই একাধিক নিয়মের মধ্যেই থাকতে হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।