কোভিশিল্ডে ছাড়পত্র, কিছুদিনের মধ্যেই টিকা দেওয়ার দিন ঠিক হবে

ফোর্থ পিলার

বছরের প্রথম দিনই সুখবর ভ্যাকসিন এসে গেল। দিন কয়েকের মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে সম্ভাব্য দিনক্ষণ। ভারতে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন তৈরি করেছে পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট। জরুরিভিত্তিতে টিকাকরণ কর্মসূচি জন্য অনুমতি প্রস্তাব পেশ করা হয়েছিল সংস্থার পক্ষ থেকে।

কোভিশিল্ডকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের নেতৃত্বে ভ্যাকসিন রেগুলেটরি কমিটির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানেই এই প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির তৈরি ভ্যাকসিন ভারতে তৈরি করা হয়েছে। সেরাম জানিয়েছিল তাদের কাজ সম্পূর্ণ। সরকারের পক্ষ থেকে সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে শুধু। অক্সফোর্ড দাবি করেছিল তাদের টিকা ৯২ থেকে ৯৫ শতাংশ কার্যকরী হয়েছে।

এই দাবি নিয়েও এতদিন ধোঁয়াশা ছিল। সেটিও কেটে গিয়েছে। ট্রায়ালের বিস্তারিত রিপোর্ট অক্সফোর্ড জমা দিয়েছিল ব্রিটেনে অক্সফোর্ড। টিকাকরণের অনুমতি দিয়েছে সেই দেশের মেডিসিন এন্ড হেলথ কেয়ার প্রোডাক্ট রেগুলারিটি এজেন্সি। ভারতেও সিরাম সেই ছাড়পত্র পেয়েছে। একসময় অভিযোগ উঠেছিল এই ভ্যাকসিন নিলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। কিন্তু এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। সেকথা সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়।

সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছিল নভেম্বর মাসেই। এই বিষয় নিয়ে চূড়ান্ত কথাবার্তা শুরু হয়েছিল। সে সময় প্রস্তাব খারিজ করে কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল। সেফটি রিপোর্ট বিস্তারিত জমা দিতে হবে। একথা বলা হয়। অক্সফোর্ড নিজে বর্তমানে দাবি করেছে তাদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখা হয়ে গিয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে।

আগামী সাত দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত দিন ঠিক হয়ে যাবে। শুধু তাই নয় এখন অবধি পাঁচ কোটি কোভিশিল্ড টিকার ডোজ তৈরি হয়ে রয়েছে। আগামী বছর মার্চের মধ্যে ১০ কোটি ডোজ তৈরি হয়ে যাবে। এই টিকার সিংহভাগ দেশের মানুষের জন্য থাকবে বলে জানানো হচ্ছে। সরকারকে কম টাকায় টিকা বিক্রি করা হবে। সাধারণত প্রতি টিকার দাম সরকারের জন্য ধার্য করা হয়েছে আড়াইশো টাকা। বেসরকারি সংস্থার জন্য দুটি টিকার দাম ধার্য হয়েছে হাজার টাকা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।