কোহলিদের হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস ইলেভেন পঞ্জাব

ফোর্থ পিলার

বিরাট কোহলিদের হারিয়ে জয়ের পথে এল কিংস ইলেভেন পঞ্জাব। দুটি ম্যাচে দুর্ধর্ষ জয় পেয়ে চনমনে ছিল বিরাট কোহলি এন্ড কোং। কিন্তু কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের তিন ব্যাটসম্যান সেই আশায় জল ঢেলে দিল। প্রথমে ব্যাট করতে নামে বেঙ্গালুরু। শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে তারা। অ্যারন ফিঞ্চ ও প্যাডিকাল দ্রুত ফিরে যান। বিরাট কোহলিও শুরুর দিকে ঢিমেতালে ছিলেন এদিন।

টানা ৩২ বল কোহলি কোনও চার পর্যন্ত মারেননি। এ দিনের খেলায় ব্যক্তিগত ৪৮ রানের মাথায় তিনি আউট হন। ততক্ষণে খেলে ফেলেছেন ৩৯ টি বল। তার হাত দিয়ে এদিন ঝোড়ো ইনিংস বেরোয়নি। এবি ডি ভিলিয়ার্স মাত্র দু’রান করে ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। ১০০ রান করতেই বেঙ্গালুরু সময় নিয়ে নেয় অনেকটা। শেষ দিকে একটু ঝোড়ো ব্যাটিং করেন শিভম দুবে ও ক্রিস মরিস। ১৯ বলে ২৩ রান করেন দুবে। মরিস ২৫ রান করেন মাত্র ৮ বলে। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান তোলে বেঙ্গালুরু।

স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমাতেই কিংস ইলেভেন পঞ্জাব শুরু করেন। দুই ওপেনার কে এল রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিলেন প্রতিবারের মতো। একটি ভালো ওপেনিং পার্টনারশিপ তৈরি হয়ে যায়। মায়াঙ্ক ২৫ বলে ৪৫ রান করে ফিরে যান। রাহুল তখন ফর্মে। ক্রিস গেইল নামেন তারপর। ৫৫ রানের একটি ইনিংস বেরোয় তার ব্যাট থেকে। রাহুল ৬১ রান করে নট আউট থাকেন।

মূলত রাহুল, মায়াঙ্ক ও গেইলের মাধ্যমে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল কিংস ইলেভেন পঞ্জাব। ১ রান বাকি থাকতে আউট হয়ে যান ক্রিস গেইল। শেষ বলে ৬ মারেন নিকোলাস পুরান। বেশ কয়েকটি ম্যাচ পঞ্জাব হেরে গেছে। ক্রিস গেইল আসায় ব্যাটিং আরও শক্তিশালী হল। একথা মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে অপেক্ষা করেছেন তিনি। হাসপাতালে মাঝে ঘুরে এসেছেন একদিনের জন্য। নিজের পছন্দের ওপেনিংয়ের জায়গা পাননি। তবে মাঠে নেমে বুঝিয়ে দিলেন তিনি একইরকম আছেন। পাঁচটা লম্বা ছয় পঞ্জাবকে খাঁদের কিনারা থেকে তুলে নিয়ে এল। আর সঙ্গে শেষ করে দিল বিরাট কোহলিদের টুর্নামেন্টে একধাপ এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।