খোলামেলা মণ্ডপেই থাকবে প্রতীমা, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

ফোর্থ পিলার

এবার খোলামেলা পুজোমণ্ডপ হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বার্তা দিয়েছেন। সাধারণ মানুষ প্রতিমা দর্শন করতে এসে সম্পূর্ণ খোলা মণ্ডপের সামনে দাঁড়াবে। এ কথাই মনে করা হচ্ছে। আজ সোমবার গ্লোবাল পরামর্শদাতার বৈঠক ছিল। সেখানেও রাজ্যের পুজো সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তারাও সেই বৈঠকে এই মত পোষণ করেছেন।

করোনা ভাইরাস আবহে দু’লক্ষ পেরিয়ে গিয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিন সংক্রমণ বাড়ছে। আগামী একমাস পরেই রাজ্যে দুর্গাপুজো। বাঙালি সব থেকে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। তাই নয় নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলা উৎসবমুখর থাকবে। এই পরিস্থিতিতে পুজো করা এক অন্যতম চ্যালেঞ্জ। রাজ্যে পুজো কতটা হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। তবে আজ মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে পরিষ্কার, দুর্গাপুজোতে রাজ্যে হবে কোনও রকম বাধা নিষেধ থাকবে না।

এক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, খোলামেলা মণ্ডপ করতে হবে। কোথাও আটকে কারুকার্যময় মণ্ডপ এবার দেখা যাবে না। অর্থাৎ সম্পূর্ণ চারদিক বন্ধ করে পুজো নয়। ভিতরের বাতাস বাইরে বের করার ব্যবস্থা করা হয় বহু পুজো মণ্ডপে। থিম পূজার ক্ষেত্রে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ঘটনা দেখতে পাওয়া যায়। এবার এই সবকিছুই নিষেধ থাকবে। আগত দর্শনার্থীরা এসে খোলামেলা জায়গায় দাঁড়াবেন। মণ্ডপ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত থাকবে। এছাড়াও অঞ্জলী দেওয়ার ক্ষেত্রে মুক্ত স্থান রাখতে হবে। কোথাও ভিড়ভাট্টা এবার করা যাবে না। আগে থেকেই মনে করা হচ্ছে।

এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, চিকিৎসক অভিজিৎ চৌধুরী, সুকুমার মুখোপাধ্যায়, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব জেভি আর প্রসাদর রাও প্রমুখ। এছাড়াও মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা ও স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।

রাজ্যের করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক। এই কথা আলোচনায় উঠে এসেছে। সংক্রমণ রোখার জন্য চেষ্টা চলছে। পুজোর সময় সমস্ত কিছু ঠিক করাটাই এখন সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ। এখন অবধি রাজ্যের তরফে দুর্গাপূজা বিষয়ক কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি। তবে দ্রুত নির্দেশিকা জারি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।