গবেষণা বলছে ভারতে করোনার আবির্ভাব ঘটে গত নভেম্বরে

ফোর্থ পিলার

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৩০৪ জন। যা এখনওপর্যন্ত একদিনে সংক্রমণের হারে সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ২৬০ জনের। যা নিয়ে দেশে মোট মৃত্যু সংখ্যা দাঁড়াল ৬০৭৫ -এ। দেশে মোট করোনা কেস ছাড়িয়ে গিয়েছে ২ লক্ষ ১৬ হাজারের গণ্ডি।

সরকারি হিসাবে দেশে প্রথম করোনা কেস রেজিস্টার হয়েছিল ৩০ জানুয়ারি। তবে এক সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে যে ভারতে করোনা ভাইরাসের আবির্ভাব ঘটে থাকতে পারে গত বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বর নাগাদই। প্রসঙ্গত, সেই সময়ই চিনে প্রথম বারের মতো করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছিল।

বিজ্ঞাীরা কয়েকটি ভাইরাল স্ট্রেন থেকে জানতে পেরেছে যে তেলাঙ্গানাতে হয়ত ২৬ নভেম্বর এই করোনা ঢুকেছিল প্রথমবার। এবং এরপর তা সংক্রমণ ছড়িয়ে থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই সময়ই এই ভাইরাসের মিডিয়ান শুরু হয়েছিল বলে মত বিজ্ঞানীদের।  ৩০ জানুয়ারি কেরলে প্রথম চিন ফেরত এক ছাত্রীর শরীরে করোনার চিহ্ন পাওয়া যায়। তার আগে দেশে করোনা পরীক্ষা হচ্ছিল না। আর এই কারণেই তেলাঙ্গানার এই কেসগুলি ধরা পরেনি বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে বর্তমানে রোগীদের শরীর থেকে পাওয়া করোনা নমুনার স্ট্রেন থেকে বিজ্ঞানীদের ধারণা যে বহু আগেই দেশে প্রবেশ করেছিল এই ভাইরাস।

দেশে প্রতিদিন করোনা আক্রান্তের হার গড়ে আট হাজারের বেশি। রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকরা ফেরায় বাড়ছে সংক্রমণ। দেশে করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার হার গতকাল পর্যন্ত ছিল ৪৮.৩১ শতাংশ। এখন তা নেমে দাঁডি়য়েছে ৪৭.৯৯ শতাংশে। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ১০৭ হাসপাতালে বেডের চাহিদা বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি হাসপাতালে বেডের চাহিদাও বাড়ছে। বাড়ছে ভেন্টিলেটরের চাহিদাও।

এদিকে সব হাসপাতালেই ভেন্টিলেটর না থাকায় অনেকক্ষেত্রে বার বার রোগীকে স্থানান্তর করা হচ্ছে। যাতে অন্যান্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রথম পর্যায়ে ১০০টি ভেন্টিলেটর ভারতকে দিচ্ছে আমেরিকা। যা আগামী সপ্তাহের মধ্যেই দেশে চলে আসবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।