গোরুমারায় পাওয়া গেল গন্ডারের মৃতদেহ

ফোর্থ পিলার

গোরুমারা জাতীয় উদ্যানে মিলল একটি পূর্ণ বয়স্ক গন্ডারের মৃতদেহ ।মৃতদেহে কোনও ক্ষতচিহ্ন নেই। খড়গ অক্ষত রয়েছে। বয়সজনিত কারণে এই মৃত্যু বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। গন্ডারটির নাম ছিল ডন। সে যথেষ্ট মারকুটে ছিল। সে কারণেই তার এই নাম রাখা হয়েছিল। গন্ডারের মৃত্যুতে বনকর্মীদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে।

নাগরাকাটা ব্লকের বামনডাঙা চা বাগান অঞ্চলে বনকর্মীরা টহল দিচ্ছিলেন। গরুমারা জঙ্গলে বাঁধের কাছে গন্ডারের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পাওয়া যায়। বনকর্মীরা গিয়ে তাকে প্রথমে পরীক্ষা করে। এরপর আধিকারিকদের খবর দেওয়া হয়। ডিএফও নিশা গোস্বামী ও অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত হন সেই জায়গায়। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে ভালো করে পরীক্ষা করা হয় শরীর। কোথাও গুলির চিহ্ন মেলেনি। শরীরে অন্য কোনও ক্ষত ছিল না।

তার বয়স হয়েছিল। বয়সজনিত কারণে এই মৃত্যু বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তার খড়গ অক্ষত রয়েছে। কাজেই চোরা শিকারিদের হাতে গন্ডারটি প্রাণ হারাল। এই বিষয়টি মান্যতা পাচ্ছে না। ডিএফও নিশা গোস্বামী জানিয়েছেন, প্রাথমিক পরীক্ষায় কোনও ক্ষত দেখতে পাওয়া যায়নি শরীরে। বয়সজনিত কারণে মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে। তবুও মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। তারপরেই সঠিক কারণ জানা সম্ভব। কোনও কিছু খাওয়ার কারণে মৃত্যু হয়েছে কিনা, তাও তদন্ত করে দেখা হবে।

একসময় গোরুমারা জাতীয় উদ্যানে রহস্যজনকভাবে গন্ডারের মৃত্যু হত। খড়গ কেটে নেওয়া হত গন্ডারগুলির। চোরাশিকারিরা মেরে ফেলত তাদের। তাই নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল পরিস্থিতি। এখন চোরা শিকারিদের দৌরাত্ম্য কমেছে কিছুটা। এই গন্ডারটি খুব মারকুটে ছিল। নিজের খেয়ালে থাকত। কোনও গন্ডারের সঙ্গেই তেমন খুব একটা সখ্যতা ছিল না তার।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।