চলতি সপ্তাহেই তাপমাত্রার পতন, শীত আসছে শহরে

ফোর্থ পিলার

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ এই মুহূর্তে সরে গিয়েছে। গতকাল পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের আকাশে মাঝেমধ্যেই ঘন মেঘের দেখা মিলেছে।কিন্তু জানা যাচ্ছে, আগামী দিন কয়েকের মধ্যেই রাজ্যে পারদ নামতে পারে। সপ্তাহের শেষ ভাগে উত্তরবঙ্গে শীতের ভালো প্রভাব পড়বে। দক্ষিণবঙ্গ-সহ শহরতলিতে তাপমাত্রা কমবে অনেকটাই। সমগ্র দেশেই এইবছর শীতের যথেষ্ট প্রভাব পড়বে। দিল্লির মৌসম ভবন এই বার্তা দিয়েছে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, শীতের চাদর গায়ে জড়ানোর সময় এসে গেল।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, পরিস্থিতির বদল হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই ঠান্ডা শিরশির বাতাস বইতে শুরু করেছে। সোমবার রাতের দিকেও এই হাওয়া বইছিল। দুর্গাপুজোর পর থেকেই রাতের দিকে তাপমাত্রার পারদ নামছে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা যথেষ্ট হেরফের দেখা যাচ্ছে। আবহবিদরা জানাচ্ছেন, এখনই দিনের তাপমাত্রা খুব একটা নামবে না। তবে রাত নামলেই সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দুটি নামবে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে ঠান্ডা পড়বে। ভোরের দিকে যথেষ্ট ঠান্ডা থাকছে দিন কয়েক ধরে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে মৌসুমী বায়ু চলে গিয়েছে। উত্তর পূর্ব মৌসুমী বায়ু এখনও সক্রিয়। দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু, কেরল, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলীয় রাজ্যগুলিতে হালকা বৃষ্টি চলছে এখনও। দিন কয়েক আগে নিম্নচাপের প্রভাব ছিল সেই রাজ্যগুলিতে। ফলে সমগ্র উত্তর ভারত থেকে ঠান্ডা বাতাস বয়ে আসতে কিছুটা দেরি হবে। আগামী সপ্তাহ থেকে পশ্চিমবঙ্গে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। উত্তরবঙ্গতেও কিছুটা বৃষ্টিবহুল আবহাওয়া রয়েছে। আগামী দু-তিন দিনের মধ্যে সেই পরিবেশ বদলে যাব।

আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের কাছাকাছি থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। এখনও আদ্রতাজনিত অস্বস্তি রয়েছে। দিনে সূর্যের তাপ থাকায় ঘাম দেখা দিচ্ছে। আকাশে মেঘের আস্তরণ থাকছে। বলা হচ্ছে, আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড নামবে। রাতে সেই তাপমাত্রার পতন আরও কিছুটা অনুভূত হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।