জরুরি ভিত্তিতে কোভ্যাক্সিনও ছাড়পত্র পেয়ে গেল ভারতে

ফোর্থ পিলার

কোভিশিল্ড ছাড়পত্র পেয়েছিল ডিসিজিআইয়ের। একদিনের মধ্যেই কোভ্যাক্সিনকেও ছাড়পত্র দেওয়া হল। জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ বৈঠক চলে এই বিষয় নিয়ে। শেষপর্যন্ত সকলেই একমত হন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বিষয় নিয়ে আশাবাদী। করোনামুক্ত হবে ভারতবর্ষ। এই মন্তব্য টুইটে করেছেন তিনি।

আজ রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করতে পারে ডিসিজিআই। সেখানে দুটি প্রতিষেধকের সম্পর্কে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এই বিষয় নিয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছে। ভ্যাকসিন কেন ছাড়পত্র পেল না সেই প্রশ্ন উঠেছিল। তবে পরিস্থিতি বুঝে শেষপর্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হায়দরাবাদের প্রস্তুতকারী সংস্থা ভারত বায়োটেক ও সরকারি প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ আইসিএমআর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভায়রোলজি (এনআইভি) এর সঙ্গে যুক্ত।

ইনএক্টিভেটেড ভ্যাকসিন হিসেবে বাজারে আসছে এটি। প্রথমে ইঁদুর ও গিনিপিগের ওপর পরীক্ষা করা হয়েছিল। এরপর মানুষের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়। সংস্থার দাবি টিকাটি কার্যকর। কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে নেতিবাচক দিক উঠে এসেছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের চাপে তাড়াতাড়ি টিকা তৈরির কাজ করা হচ্ছে।

গবেষণার নিয়মনীতি কি রয়েছে? সেই সমস্ত বিস্তারিত রিপোর্ট দেখতে চাওয়া হয়েছিল। তাই প্রথমে কোভ্যাক্সিন ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জানা যাচ্ছে, মৃত করোনা ভাইরাস থেকে তৈরি হয়েছে এই ভ্যাক্সিনটি। শরীরে ঢুকে ভাইরাসের কোনও প্রতিলিপি গঠন করবে না। বরং মৃত ভাইরাসের টের না পেয়ে দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সজাগ হয়। শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে।

ভারতবর্ষে লার্জ স্কেলে কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হচ্ছে। বায়োটেক এই টিকার পরীক্ষামূলক ব্যবস্থা এখন অবধি সফলভাবে করতে পেরেছে। দ্বিতীয় টিকাকরণ কর্মসূচি সফল গোটা দেশে। কাজেই কোনওরকম সমস্যা হবে না আগামী দিনে। তৃতীয় পর্বের আংশিক রিপোর্ট ইতিমধ্যে জমা পড়ে গিয়েছে। ভারতে ১০ কোটি মানুষকে কোভ্যাক্সিন দেওয়া হবে। প্রথম পর্যায়ে এই কথা আগেই শোনা গিয়েছিল।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।