ট্রাম্প ইমপ্লিচমেন্ট চাইছেন না ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স

ফোর্থ পিলার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইমপ্লিচমেন্ট বিতর্ক নিয়ে আরও জল্পনা বাড়ল। ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স মনে করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইমপ্লিচমেন্ট করার প্রয়োজন নেই। তার থেকে মসৃণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর হোক। শেষ মুহূর্তে ট্রাম্প ইমপ্লিচমেন্ট হলে ভুল বার্তা যাবে। ক্ষোভ ও হিংসা বাড়ার আশঙ্কা করেছেন তিনি। তবে সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।

আগামী ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হস্তান্তর হচ্ছে। জো বাইডেন আগামী মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথগ্রহণ করবেন। ক্ষমতা হস্তান্তর হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সিংহাসন ছেড়ে দেবেন। একথা কার্যত পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পকে ঘিরে ক্ষোভ ও বিতর্ক গত দেড় সপ্তাহ ধরে আরও বেড়েছে। আমেরিকা গণতন্ত্রে এক কালো অধ্যায় তৈরি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে মাইক পেন্সের কার্যালয়ের তরফে একটি চিঠি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে লেখা হয়েছে, ‘আমাদের দেশের স্বার্থের পক্ষে এরকম পদক্ষেপ একেবারেই ভালো নয় বলে বিশ্বাস আমার বা তা আমাদের সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

ক্যাপিটাল হাউসে আক্রমণ চালিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মদদপুষ্ট একাংশ। চারজন মারা গিয়েছেন সেই ঘটনায়। কার্যত এক নৈরাজ্য তৈরি করা হয়েছিল সেইদিন। হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ এই ঘটনা মানতে পারছেন না। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইমপ্লিচমেন্ট আনা হোক। গদি থেকে তাকে নামিয়ে দেওয়া হোক। এই দাবি উঠেছিল। সেই দাবিতে এখনও সোচ্চার একটি বড় অংশ। কিন্তু ভাইস প্রেসিডেন্ট এই কাজে সম্মতি জানাচ্ছেন না।

পেন্স আরও বলেছেন, ‘আমেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেনের শপথগ্রহণের যখন প্রস্তুতি নিচ্ছি, তখন উত্তেজনা প্রশমন এবং আমাদের দেশের জোটবদ্ধ করতে আমাদের সঙ্গ দিন।’ ভাইস প্রেসিডেন্টের আরও বক্তব্য, ‘২৫ তম সংশোধনীকে ‘শাস্তি বা অন্যায়’-এর মাধ্যম হিসেবে প্রয়োগ করা হলে তা খুব ভয়ানক উদাহরণ তৈরি করবে।’

সংবিধানের ২৫ তম সংশোধনী প্রয়োগের প্রস্তাব নিয়ে আসা হচ্ছে। ভোটাভুটির প্রস্তুতি নিচ্ছে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস। সেই প্রস্তুতির মধ্যে স্পিকার ন্যান্সি পেলোসিকে চিঠি দিয়েছেন পেন্স। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শেষ মুহূর্তে এভাবে সরানোর জন্য সংবিধানের ধারার প্রয়োগের পক্ষপাতী নন তিনি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।