তিন দিন রাজ্যজুড়ে বাস ধর্মঘট, চিঠি দিল সংগঠন

ফোর্থ পিলার

পেট্রপণ্যের দাম উর্ধ্বমুখী। ফলে করের পরিমাণও বাড়ছে। এবার ডিজেলের ট্যাক্স কমানোর দাবিতে পর পর তিনদিন ধর্মঘটের ডাক দিল পাঁচটি বাস মালিক সংগঠন। চলতি মাসের শেষে রাজ্যজুড়ে বাস ও মিনিবাস ধর্মঘটের সুর চড়া করল বাস মালিক । শুধু তাই নয়, পরের মাসের শুরুতেই ট্যাক্সি ধর্মঘটেরও ডাক দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

চলতি মাসের ২৯, ৩০ ও ৩১ তারিখ গোটা রাজ্যে বাস পরিবহণ ব্যবস্থা বন্ধ থাকবে। আজ মঙ্গলবার এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে জয়েন্ট কাউন্সিল অব বাস সিন্ডিকেশন সহ মোট পাঁচটি বাস-সংস্থা ধর্মঘটের ডাকে সমর্থন জানিয়েছে। মাস শেষের তিন দিন বাস ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। ২৯ জানুয়ারি পরিবহণ ভবন অভিযানের পরিকল্পনাও করা হয়েছে।

বিশ্ববাজারে উর্ধ্বমুখী ডিজেলের দামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কর দেওয়া সম্ভব নয়। তাই রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারকে কর কমানোর দাবি রাজ্যের বাস সংস্থাগুলির। এই দাবিতেই ধর্মঘটের আয়োজন। যদিও জনসাধারণের কথায়, বাসের ভাড়াও তো দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রতিবারেই দু-তিন টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে বাসের ভাড়া।

বাস ধর্মঘটেই শেষ নয়। চলতি বছর ২, ৩, ও ৪ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সি ধর্মঘটেরও ডাক দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এমতাবস্থায়, সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াতে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। লক ডাউনের পর বাসের সংখ্যাও কমেছে। তাই বাস ধর্মঘট নিয়ে আশঙ্কায় যাত্রীরা।

কলকাতা শহরে বেসরকারি বাসের ন্যূনতম ভাড়া ১০ টাকা হয়ে গিয়েছে। এটি সম্পূর্ণ অলিখিত ভাড়া। যাত্রীদের এই ভাড়া দিতে বাধ্য করা হয়েছে। সরকার থেকেও এই বিষয় নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। কেন বাসভাড়া বাড়ানো হবে? তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। এছাড়াও যাত্রীদের একাংশের বক্তব্য, নিউ নর্মাল লাইফে সাধারণ মানুষ পথে নামছে। তবুও বাস মালিকরা ভাড়া কমায়নি কিছুতেই।

বাস মালিকদের বক্তব্য, প্রচুর সংখ্যায় যাত্রী কমে গিয়েছে বাসের। তাই লাভের অংশ আগের থেকে কম হচ্ছে। পাশাপাশি আরও আনুসঙ্গিক প্রচুর খরচ রয়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত। এছাড়াও ডিজেলের দর ঊর্ধ্বমুখী। এত পরিমাণে তেলের খরচ বহন করা যাচ্ছে না। তাই বাস ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে তিন দিন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।