দম্পতিকে খুন করে নাবালিকাকে ধর্ষণ, মৃত মহিলার মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গম, ধৃত ব্যক্তি

ফোর্থ পিলার

আরও একটি ধর্ষণের ঘটনা সামনে এল। তবে এবার অনেক বেশি বিক্রিত মনস্তত্ত্বের প্রকাশ পেয়েছে। খুন করে মহিলার সঙ্গে সঙ্গমে মেতেছিলেন ওই ব্যক্তি। মহিলার ১০ বছরের নাবালিকা কন্যাকেও ছাড়া হয়নি। তাকেও করা হয়েছিল ধর্ষণ। এই কথা পুলিশের কাছে জেরার সময় জানিয়েছে ওই ব্যক্তি। ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ে।

গত ২৪ নভেম্বর রাতে খুন হন দম্পতি ও তাদের চার বছরের পুত্র সন্তান। পুলিশ তদন্তে নেমে হন্যে হয়ে যাচ্ছিল। শেষপর্যন্ত আততায়ীর আত্মীয় অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। ধৃতের নাম নাসিরুদ্দিন, বয়স ৩৮। জানা গিয়েছে, মোবারকপুর এলাকায় ওই দম্পতি থাকতেন তাদের তিন সন্তানকে নিয়ে। ২৪ নভেম্বর রাতে খুন হয় দম্পতি ও পুত্র সন্তান। তাদের খুন করে নাসিরুদ্দিন।

তারপর ৩০ বছরের ওই মহিলার মৃতদেহের সঙ্গে সঙ্গমে মাতে সে। পুলিশ ঘটনাটি শুনে স্তম্ভিত। ১০ বছরের নাবালিকাকেও ধর্ষণ করা হয়। পুলিশ জানাচ্ছে, কয়েকদিন পর মৃত ব্যক্তি তার শালিকে এই ঘটনা জানিয়েছিল। ধর্ষণের সময় এই ব্যক্তি ভিডিও করে রেখেছিল ঘটনা। তাকে দেখানো হয়। শালি প্রচন্ড ভয় পেয়ে চুপ থাকে। তারপর নিজেই থানায় অভিযোগ করেছিল জামাইবাবু সম্পর্কে। ধৃত জানিয়েছে, ঘটনার আগে সে ওষুধ খেয়েছিল। মৃত শরীরের সঙ্গে প্রায় তিন ঘন্টা সঙ্গম চালায় সে। কন্ডোম পর্যন্ত ব্যবহার করেছিল সে ধর্ষণ করার আগে।

ধৃত ব্যক্তি মানসিক বিকৃত চরিত্রেই পুলিশের এ ব্যাপারে দ্বিধা নেই। তদন্তে নেমে দেখেছিল স্বামী স্ত্রীর নগ্নদেহ। মহিলার যৌনাঙ্গ থেকে রক্তপাত হয়েছিল। নাবালিকার যৌনাঙ্গেরও একই অবস্থা। সেক্ষেত্রে পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করেছিল ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও অন্য। ব্যক্তি জানিয়েছে, তিনি এরকম কাজ এর আগে একাধিকবার করেছে। হরিয়ানা দিল্লি পশ্চিমবঙ্গে সে এই কাজ করেছে আগে। পুলিশ সুপার ত্রিবেণী সিং জানান তার বিরুদ্ধে কঠিন মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।