দিল্লি আজ রাত থেকে লকডাউন, জানিয়ে দিল কেজরি সরকার

ফোর্থ পিলার

পরিস্থিতি সামাল দেওয়া গেল না৷ লকডাউনের পথেই হাঁটল রাজধানী দিল্লি। সাংবাদিক সম্মেলন করে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছেন। আজ রাত থেকে দিল্লিতে লকডাউন শুরু হচ্ছে। আগামী ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত এই লকডাউন চলবে দিল্লিতে। করোনার ভয়াবহ রূপ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আয়ত্বের বাইরে চলে গিয়েছে।

কোনওভাবেই পরিস্থিতি বাগে আনা সম্ভব হচ্ছে না। হাসপাতালে বেড নেই। অক্সিজেন অপ্রতুল। চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না। সমস্ত ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে সমস্যা। অপ্রতুল হয়ে গিয়েছে মর্গ। তাই জরুরি ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে সাহায্য চাওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জরুরি বৈঠকে বসেছেন দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে। এই প্রেক্ষাপটে আরও একবার লকডাউনের সিদ্ধান্তে গেল দিল্লি। মহারাষ্ট্র কার্ফুর পথে হেঁটেছে। চলতি মাস পর্যন্ত চলবে মহারাষ্ট্রে চলবে কার্ফু চলবে। আরও বেশ কয়েকটি রাজ্যতে সিদ্ধান্তের সিদ্ধান্ত গিয়েছে।

এদিন সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আজ সোমবার রাত ১০টা থেকে রাজধানীতে শুরু হবে লকডাউন। ২৬ এপ্রিল সকাল ৬টা পর্যন্ত দিল্লিতে এই লকডাউন চলবে। জরুরি পরিষেবা যেমন-চিকিৎসা, খাদ্য সরবরাহের মতো বিষয়ে ছাড় দিয়েছে কেজরিওয়াল সরকার। বিয়েবাড়িতে সর্বোচ্চ ৫০ জন অতিথি উপস্থিত থাকতে পারবেন। এজন্য বিশেষ পাস নিতে হবে। এদিন কেজরিওয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৩,৫০০ জন। যদি দৈনিক ২৫ হাজার মানুষ আক্রান্ত হন, সেক্ষেত্রে পরিকাঠামো ভেঙে পড়বে।”

এর আগে দিল্লিতে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছিল। শুক্রবার রাত ১০টা থেকে শুরু হয়েছিল ১৪৪ ধারা। আজ সোমবার সকাল ছ়টা পর্যন্ত এই ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকে। কোনও মানুষ প্রয়োজন ব্যতীত রাস্তায় বেরোবেন না। সিনেমা হল, শপিংমল, জিমখানা সব কিছুই বন্ধ থাকে। এই সময় জরুরিকালীন পরিষেবা খোলা রাখা হয়। ওষুধপত্র ও অন্যান্য পরিষেবার জন্য সাধারণ মানুষ রাস্তায় বের হতে পারেন। দিল্লিতে করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।