দেশে ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত প্রায় ৪৫ হাজার, মৃত্যু ৫৮৪ জনের

ফোর্থ পিলার

দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল। দীর্ঘ সময় পরে সুস্থ হওয়ার তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে এদিন। দিল্লিতে সংক্রমণের তীব্রতা অত্যন্ত বেশি। অন্যান্য রাজ্যগুলিতে সংক্রমণ বেড়েছে। পরিস্থিতি মোটের উপর এখনও নিয়ন্ত্রণে। এই কথা জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৯০ লক্ষ পেরিয়ে গেল ভারতে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করেছে। গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে ৪৪,৮৮২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৪,৮০৭ জন। এই মুহূর্তে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৪৯১ জন হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫৮৪ জনের। সুস্থ হওয়ার হার ৯৩.৬০ শতাংশ। মৃত্যুর হার এখনও ১.৪৭ শতাংশ রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে ১০ লক্ষ ৮৩ হাজারের বেশি করোনা ভাইরাস টেস্ট হয়েছে।

দেশে মোট করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ৯০,০৪,৩৬৫। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৪,২৮,৪০৯ জন৷ এই মুহূর্তে দেশে করোনা ভাইরাস অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ৪,৪৩,৭৯৪। দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ লক্ষ ৩২ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। দীর্ঘ সময় পরে আক্রান্তের সংখ্যা এ দিন বাড়ল। গোটা অক্টোবর মাসে আক্রান্তর তুলনায় সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ছিল বেশি।

মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, কেরল, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ প্রভৃতি রাজ্যগুলিতে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। পরিস্থিতি যথেষ্ট দুশ্চিন্তার এইসব রাজ্যগুলিতে। শুধু তাই নয় যে কোনও প্রেক্ষাপটে শীতে সংক্রমণ সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মহারাষ্ট্রে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সব থেকে বেশি। কোনওভাবেই গত তিনমাসে সেই সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখীর হার কমানো যায়নি। রাজধানী দিল্লিতে পরিস্থিতি ভয়াবহ।

গত দু’দিনে রাজধানীতে ২২৯ জন মারা গিয়েছে। এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট দুশ্চিন্তার। সাত হাজারের বেশি সংক্রমণের সংখ্যা পাওয়া যাচ্ছে দিল্লিতে দৈনিক। মাস্ক না পরলে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল একথা জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারও দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দিল্লি হাইকোর্ট করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারকে দুষেছেন। তবে কোনওভাবেই দিল্লিতে ফের লকডাউন হবে না। একথা জানিয়েছেন সরকারি আধিকারিকরা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।