দেড় হাজার টন পদ্মার ইলিশ উপহার পাঠাচ্ছেন শেখ হাসিনা

ফোর্থ পিলার

ওপার বাংলা ফের উপহার পাঠাচ্ছে এই রাজ্যের জন্য। গত বছরের মতোই ফের পদ্মার ইলিশ আসবে এই রাজ্যে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। গত বছর পুজোর আগে বাংলাদেশ থেকে ইলিশ এসেছিল। আবার পদ্মার ইলিশ সীমান্ত পেরিয়ে আসবে এ রাজ্যে। শোনা যাচ্ছে দেড় হাজার টন ইলিশ এবার আসবে এই বাংলায়।

কবে মাছ আসবে? সেই সম্পর্কে এখনও কোনও সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। আন্দাজ সেপ্টেম্বর মাসের শেষে মাছ সীমান্ত পেরিয়ে আসবে। এক্ষেত্রে কত দাম ধার্য হবে? তাই নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। সাধারণত পদ্মার ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া হয়। ভারতবর্ষে পদ্মার ইলিশ আসা আইনত নিষিদ্ধ। উপহার হিসেবে বাংলাদেশে গত বছর ইলিশ পাঠিয়েছিল। চলতি বছরে প্রতি কেজি মাছের দাম ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা রয়েছে এই মুহূর্তে।

১ কেজি ইলিশের খোলা বাজারে সাধারণত দাম রয়েছে বারশো থেকে পনেরশো টাকা। বর্তমান বাজার দরে ইলিশ মাছ এই রাজ্যের বাজারে খুব কম বিক্রি হচ্ছে। এবার যোগানও কম। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ইলিশ কত দামে বিক্রি হবে? তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। পদ্মার ইলিশ দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হবে! একথা এখনও সঠিকভাবে মানা সম্ভব হচ্ছে না।এ কথাই জানাচ্ছেন, আড়তের ব্যবসায়ীরা। কোলে মার্কেটে এখন অবধি এই নিয়ে জল্পনা চলছে। দেড় হাজার টন ইলিশ এলে কিভাবে তার বিপণন হবে! সেই সম্পর্কে রাজ্য সরকার ঠিক করবে।

পাইকারি বাজারে দেড় হাজার টাকা দাম উঠলে সাধারণ পরিবারের কাছে ইলিশ পৌঁছানো রীতিমতো অস্বস্তির হবে। খুচরো বাজারে ১ কেজি মাছের দাম এক্ষেত্রে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত উঠতে পারে। কালোবাজারি হওয়ার আশঙ্কাও থাকছে। গতবার ইলিশ আসার পর সব ব্যবসায়ীরা মাছ পাননি। এই অভিযোগ উঠেছিল। কিছু বিশেষ অংশের আড়তদাররা মাছ তুলে নিয়েছিল।

বাংলাদেশ সরকার বেশ কয়েক বছর আগেই ইলিশ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। ফলে পদ্মার ইলিশ আর এই রাজ্যে আসে না। মরসুমে প্রতিদিন প্রায় দেড়শ থেকে দুইশ টন ইলিশের চাহিদা রয়েছে। পদ্মার ইলিশ না থাকার জন্য সেই চাহিদায় যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে দীর্ঘ বছর থেকে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।