নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত দ্রুত শেষ করতে চাইছে পুলিশ

ফোর্থ পিলার

চার ধর্ষকের বিরুদ্ধে কঠিন সাজা দেওয়ার দাবি উঠছে। পুলিশ – প্রশাসন যথেষ্ট এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে। প্রশাসন চায় কঠিনতম শাস্তি হোক এই চারজনের। মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, তাদের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে দ্রুত বিচার হবে। এক ভয়ঙ্কর ঘটনা।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জি কিষেণ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তরুণীর পরিবারে কথা আগে শোনা উচিত ছিল। প্রশাসনও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ঝেড়ে ফেলে তদন্তে আরও অনেক গতি আনতে চাইছে। ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করে খুন করা হয় টোন্ডাপল্লি টোলপ্লাজার কাছে। পেট্রোল পাম্পের কর্মীরা বিষয়টি সম্পর্কে কোনও আওয়াজ পেয়েছিল কিনা কিনা তার তদন্ত করা হচ্ছে।

পেট্রলপাম্পের কর্মীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে কিভাবে তাও ভাবনাচিন্তা চলছে। কারণ তেলেঙ্গানায় বোতলে পেট্রোল বিক্রি করার নিষেধাজ্ঞা এনেছিল সরকার। সেই নিষেধ এক্ষেত্রে মানা হয়নি। চার অভিযুক্তকে দুবোতল পেট্রোল বিক্রি করেছিল পেট্রোল পাম্পের কর্মীরা। অন্যদিকে তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ জুড়ে চলছে তীব্র আন্দোলন। তরুণী শামসাবাদ এলাকায় থাকতেন। সেখানে বাসিন্দারা ঘিরে রয়েছে এলাকা। তালাবদ্ধ ছিল গতকাল কলোনিতে ঢোকার মূল ফটক। বাইরের কাউকে, সংবাদমাধ্যমকে আসতে দেওয়া হচ্ছে না। নেতারাও যাতে ধারে কাছে ঘেঁষতে না পারে তার জন্য তোলা হয়েছে স্লোগান। মূল ফটকে চেইন দিয়ে বাঁধা রয়েছে।

এই মুহূর্তে অভিযুক্তরা জেল হেফাজতে রয়েছে। প্রশাসন চাইছে তাদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে দ্রুত তদন্ত করা। আরও জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে যথার্থ তথ্য সংগ্রহ করা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।