পুণ্যার্থীর স্রোত এখন গঙ্গাসাগরমুখী

ফোর্থ পিলার

বুধবার ভোরে মকরসংক্রান্তির পুণ্যক্ষণ। সেই পুণ্যক্ষণে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী ডুব দেবেন সাগরের জলে। রবিবার থেকে পুণ্যার্থীর স্রোত গঙ্গাসাগরমুখী ছিল। ভিড় বেড়েই চলেছে। হাওড়া, বাবুঘাট থেকে বাসে প্রচুর পুণ্যার্থী সাগরের অভিমুখে যাত্রা করেছেন। ভোরের আলো ফোটার আগেই পুণ্যার্থীরা পৌঁছে যাবেন গঙ্গাসাগরে।

ভিড়ের চাপ সামাল দিতে প্রস্তুত পুলিশ–প্রশাসনও। কারণ সারা বছরের এই ক্ষণের জন্য পুণ্যার্থীরা অপেক্ষা করেন। সেই অপেক্ষার অবসান হবে। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২১ লক্ষ পুণ্যার্থী মেলায় এসেছেন। যাত্রী পরিষেবার উন্নতি হয়েছে। ১১৬ জনকে বিভিন্ন কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।‌

কয়েক দিনের তুলনায় শীতের দাপট কিছুটা কমেছে। তবে রাত বাড়তেই উত্তুরে হাওয়া বইতে শুরু করেছে। সরকারের তৈরি যাত্রী নিবাসগুলি উপচে পড়েছে। খোলা আকাশের নীচে তার্পোলিন কিনে অনেকেই জিরিয়ে নিয়েছেন। ভারতের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বেশ কয়েক দিনের ধকল সহ্য করে যাত্রীরা পৌঁছেছেন মেলায়। পুণ্যার্থীদের চেহারায় তা ধরা পড়ে। মাথায় বোঁচকা। দলের পান্ডার হাতে ম্যাড়মেড়ে পতাকা। আর সেই পতাকা অনুসরণ করে হেঁটে চলেছেন পুণ্যার্থীর দল।

অন্যদিকে রঙিন আলোকে সেজে ওঠা গঙ্গাসাগর এখন রীতিমতো পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। সাগরমেলায় বিচিত্র মানুষের সহাবস্থান। ভোজপুরি কোরাসের পাশে দিব্যি শোনা যায় মারাঠি রামায়ণের সুর। দূর থেকে ভেসে আসে ‘‌গঙ্গা মাইকি জয়’‌ ধ্বনি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।