প্রতি পুজোমণ্ডপে এবার নোডাল অফিসার নিয়োগ করছে লালবাজার

ফোর্থ পিলার

পুজো মণ্ডপগুলিতে এবার পুলিশের নিরাপত্তা, নজরদারি থাকছে। প্রতিটি মণ্ডপে নোডাল অফিসার নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। লালবাজার থেকে একথা জানানো হয়েছে। মণ্ডপগুলি কি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছে? এই সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখবে নোডাল অফিসার। এক একজন এসআইকে এই দায়িত্ব দেওয়া থাকবে প্রতিটি মণ্ডপে।

পূজামণ্ডপগুলোতে ভিড় হবে। একথা আশঙ্কা করা হচ্ছে। সরকার থেকে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। চারদিক খোলা রেখে পূজামণ্ডপ করতে হবে। একসঙ্গে যাতে বহু মানুষ মণ্ডপে প্রবেশ করতে না পারেন। সেই কথা বলা হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে প্রত্যেককে। শুধু তাই নয়, স্যানিটাইজার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করার কাজ চলবে পূজামণ্ডপ চত্বরে। এইসব যথাযথভাবে হচ্ছে কিনা এবার সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখবে লালবাজার।

সে কারণে প্রত্যেক পূজামণ্ডপে একজন করে নোডাল অফিসার থাকছে। তিনি এই সমস্ত কিছু নজর রাখবেন। এসআই পদাধিকারী পুলিশ অফিসারদের এই কাজে নিযুক্ত করা হচ্ছে। থানার ওসিকে ওই পুলিশকর্মীরা রিপোর্ট জমা দেবেন। সেক্ষেত্রে অভিযোগ থাকলে, সেই পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে কথা বলবে কলকাতা পুলিশ। লালবাজারের তরফ থেকে কথা জানানো হয়েছে।

পুজোর সময় ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য কি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে? রাজ্য সরকারের কাছে এই কথা জানতে চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী সোমবার এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টকে জানাতে হবে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিব এই বিষয়ে রিপোর্ট দেবে কলকাতা হাইকোর্টকে। একথা আজ আদালত জানিয়েছে।

দুর্গাপূজা বিষয়ে এক জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আজ একাধিক নির্দেশ আদালতের তরফ থেকে দেওয়া হয়েছে। গতকাল বিচারক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য কি ব্যবস্থা থাকছে? সে প্রশ্ন রাজ্য সরকারের তরফে দাঁড়ানো আইনজীবীর কাছে করা হয়েছিল। রাজ্য সরকারের কাছে এ বিষয়ে কি ব্লু প্রিন্ট আছে? এই কথাও জানতে চাওয়া হয়েছিল।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।