প্র্যাক্টিস শুরু নারিন- রাসেলের, স্বস্তিতে নাইটরা

ফোর্থ পিলার

কেকেআর সূত্রে খবর, আবু ধাবিতে বেসক্যাম্প করতে চাইছে তারা। সেখানেই প্রস্তুতি শিবির হবে। টিম ম্যানেজমেন্টের কেউ কেউ বলছেন, ২০১৪ সালে আবু ধাবিতেই বেস করেছিল কেকেআর। সেবার চ্যাম্পিয়নও হয় নাইটরা। বলা হচ্ছে, টিম মালিক শাহরুখ খান নিজে এইসব ব্যাপার খুব মানেন।

সাফল্য আসছিল না বলে যে জার্সির রং বদলে করেছিলেন কিং খান। এবারও তাই ‘পয়া’ আবু ধাবিতে বেস ক্যাম্প করতে চাইছে কেকেআর। টিম ম্যানেজমেন্টের একজন জানিয়েছেন, আবু ধাবির একটি রিসর্টে দলকে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাতে পারস্পরিক দূরত্ববিধি মানতে সুবিধা হবে বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।

কেকেআর শিবির থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, দলের বিদেশি ক্রিকেটারেরা সরাসরি আমিরশাহিতে পৌঁছবেন। ভারতীয় ক্রিকেটারেরা এখান থেকে যাবেন আমিরশাহি। দলের এক কর্তা বলেছেন, ‘আমাদের সবচেয়ে স্বস্তি দিচ্ছে এই যে, দলের প্রধান দুই নায়ক সুনীল নারাইন ও আন্দ্রে রাসেল দুদিন আগে প্র্য়াক্টিস শুরু করে দিয়েছে। দুজনই কিছু দিন আগে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) খেলে এসে আইপিএলে নামবে।’

সিপিএলে নারাইন খেলে শাহরুখ খানেরই দল ত্রিনিবাগো নাইট রাইডার্সে। রাসেল খেলে জামাইকা তালওয়াসের হয়ে। দুজনেই ইতি মধ্যে নেট প্র্যাক্টিসে নেমে পড়েছে। পর্যাপ্ত ম্যাচ প্র্যাক্টিস পাবে ওরা। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেটের মধ্যে রয়েছে অইন মর্গ্যানও। ইংল্যান্ডের হয়ে যার দারুণ ফর্মে রয়েছে। সেঞ্চুরিও করছে তিনি।’

ভারতীয় ক্রিকেটারেরা বেশ কিছুদিন খেলার মাঠের বাইরে রয়েছে। আর তাই আইপিএল শুরুর আগে তাঁদের প্রস্তুতিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে নাইট কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। যদিও, অগাস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহের আগে আমিরশাহি যাওয়া সম্ভবত হচ্ছে না নাইটদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের একজন বললেন, ‘বোর্ড থেকে প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছে ২০ অগাস্টের আগে যাওয়া যাবে না। আমরা সেই মতোই এগোচ্ছি। তবে একটাই সুবিধা।’

তিনি আরও বলেন, ‘অন্য দেশ থেকে ভারতে এলে যেমন ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকা বাধ্যতামূলক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ততটা কড়াকড়ি নেই। করোনা টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এলে এক সপ্তাহ কোয়ারেন্টিনে থেকে তারপরই প্র্যাক্টিসে নেমে পড়তে পারবে ক্রিকেটারেরা। আশা করছি অন্তত ২০ দিনের প্রস্তুতি শিবির করতে পারব আমরা।’

নাইট শিবিরের খবর, ক্রিকেটারদের সকলকে ঘরের বাইরে বেরলেই মাস্ক পরতে বলা হবে। শুধু এক্স রে বা কোনও চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল রুমে যেতে হলেই নিজের ঘর ছেড়ে অন্য ঘরে যেতে পারবেন ক্রিকেটারেরা। দলের সঙ্গে একজন করোনা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে রাখতে বলা হয়েছে। কেকেআর-এর এক কর্তার কথায়, ‘দর্শকশূন্য মাঠে আইপিএল নতুন অভিজ্ঞতা হলে মাঠের বাইরের বিধিনিষেধও সম্পূর্ণ অন্যরকম হতে চলেছে।’

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।