ফের জ্বলতে শুরু করেছে পৃথিবীর ফুসফুস, দাবানল বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে

ফোর্থ পিলার

ফের দাবানল ছড়িয়েছে পৃথিবীর ফুসফুস আমাজনে। গহীন বনে এবার আরও বড় দাবানল লেগেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবিদরা। চিরহরিৎ অরণ্যতে কি করে দাবানল ছড়াচ্ছে? তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। গত বছর ঠিক জুলাই-আগস্ট মাসে দাবানল ছড়িয়েছিল। পৃথিবীর ফুসফুস আমাজন অববাহিকা। সেই বছর ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলসোনারো জানিয়েছিলেন, এবার থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে আমাজনের আগুনকে।

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট কথা রাখতে পারেননি। একথা কার্যত পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির থেকে জানা যাচ্ছে বেশ কয়েকদিন ধরেই জ্বলছে আমাজন। দীর্ঘ এলাকাজুড়ে এই আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। আরও বেশি সংখ্যক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকছে। ২৮ শতাংশের বেশি এলাকা জুড়ে এই মুহূর্তে দাবানল রয়েছে। ব্রাজিলের ৬৮০৩ টি অঞ্চল জুড়ে জ্বলছে আগুন। কি করে আগুন লাগল, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আগুন নেভানোর জন্য কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন।

পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, এই সময়ে চাষ করার জন্য বহু উপজাতি আমাজনে আগুন লাগায়। তবে সেক্ষেত্রে খুব কমসংখ্যক এলাকায় জঙ্গল পুড়িয়ে চাষ করা হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে গত বছর থেকে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। গাছ কেটে নেওয়ার জন্য পুঁজিবাদী সংস্থার নজর আমাজনের উপর রয়েছে। এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছিল। প্রায় একমাসের বেশি সময় ধরে জ্বলেছিল আমাজন। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট প্রথমে কারও সাহায্য নিতে চাননি। বিভিন্ন দেশ থেকে চাপ দেওয়া শুরু হয়। একাধিক দেশ এই আগুন নেভাতে এগিয়ে এসেছিল গত বছর।

আমাজন বরাবর চিরহরিৎ অরণ্য। মে থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত এইসময় বৃষ্টিপাত সামান্য পরিমাণে হয়। এক্ষেত্রে কতটা শুকনো পাতা থেকে আগুন লাগতে পারে? তা নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে। দাবানল সীমিত অঞ্চলজুড়ে লাগে। তা নিভেও যায়। গতবছর পরিস্থিতি যথেষ্ট ভয়ংকর হয়েছিল। এই বছর পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে পারে। এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।