ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হল ট্রাম্পের

ফোর্থ পিলার

বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকার গণতন্ত্রে আঘাত লেগেছে। গোটা পৃথিবী ক্যাপিটাল ভবনে আক্রমণের ঘটনায় বিস্মিত। এবার সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে শাস্তির মুখে পড়তে হল ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফেস্টবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। টুইটার ১২ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে।

এইসব হামলার ঘটনার জন্যে বুধবার ১২ ঘণ্টার জন্য টুইটার সংস্থা তাঁর অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেয়। এছাড়াও ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম থেকে অস্থায়ীভাবে তার একাউন্ট বন্ধ করেছে ফেসবুক সংস্থা। পরবর্তী কালে কোনো ভুয়ো মন্তব্যের জেরে জাতে এমন রণক্ষেত্র সৃষ্টি যাতে না হয়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলি দাবি করেছে যে মহামারী কার্যবিধি বা ফৌজদারি বিচারের মাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জবাবদিহি করতে হবে। উল্লিখিত যে ট্রাম্প যার “রাষ্ট্রদ্রোহী বক্তব্য” দ্বারা রাজধানীতে হিংসাত্মক আক্রমণ প্ররোচিত করেছিলেন। এটি একটি “হুমকি” এবং তিনি পদে থাকতে অযোগ্য।তাকে অপসারণ করতে হবে।

বুধবার, ট্রাম্পের হাজার হাজার সমর্থক মার্কিন ক্যাপিটালে প্রবেশ করেছিলেন। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ করেছিলেন। যার ফলে কমপক্ষে চার ব্যক্তির মৃত্যু হয়। নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি-নির্বাচিত জো বাইডেনের জয় নিশ্চিত করার জন্য একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ করলেন। কংগ্রেস, যা ট্রাম্প প্রতিহত করলে এই পদক্ষেপটি অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল, তা করা উচিত এবং ২০ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত জো বিডেন উদ্বোধন না হওয়া পর্যন্ত পেন্সের দায়িত্ব পালন করা উচিত।

“আমেরিকানরা তাদের সিট বেল্ট পরে, ট্র্যাফিক আইন অনুসরণ করে, ট্যাক্স প্রদান করে এবং কোনও সিস্টেমের উপর বিশ্বাসের কারণে ভোট দেয় – এবং এই বিশ্বাস এটি কার্যকর করে তোলে। দেশের সর্বোচ্চ আওয়াজ মানুষকে কেবলমাত্র টুইটের মাধ্যমে নয়, বরং এই বিশ্বাসকে ভাঙতে প্ররোচিত করেছিল। সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ট্রাম্প একটি বিপদজনক এবং যতক্ষণ তিনি হোয়াইট হাউসে রয়েছেন, দেশটি বিপদে পড়বে,সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।