ফ্রান্সে ফের এক মহিলাকে মাথা কেটে খুন

ফোর্থ পিলার

ফ্রান্সে ফের মাথা কেটে খুন করার ঘটনা ঘটল। এক মহিলাকে বৃহস্পতিবার এই নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। আরও দুজনকে খুন করা হয়েছে বলে খবর। আততায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে এক শিক্ষককে মাথা কেটে খুন করা হয়েছিল সেই দেশে। এই ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জঙ্গি হামলার কথা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে।

ফ্রান্সের নাইস শহরে এই ঘটনা ঘটেছে। চার্চের সামনে ব্যস্ততা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। সেইসময় এক ব্যক্তি ছুরি দিয়ে আক্রমণ করে বসে। এক মহিলার ওপর ছুরি চালানো হয়। তাকে ধরে রাস্তাতেই আক্রমণ করে ওই ব্যক্তি। ছুরি দিয়ে গলা কাটা হয়। এরপর শরীর থেকে ধর আলাদা করে দেওয়া হয়েছিল ওই মহিলার। প্রকাশ্য রাস্তায় চার্চের সামনে এই ঘটনা আতঙ্ক তৈরি করে। হুড়োহুড়ি পড়ে গিয়েছিল পালানোর জন্য।

ওই ব্যক্তি এরপর ভিড় লক্ষ্য করে আক্রমণ করে বসে আরও অনেককে। জানা গিয়েছে, এলোপাথাড়ি ছুরি চালানো হচ্ছিল। দুজন সেই ছুরি সামনে পড়ে যায়। ছুরির কোপ তারা মারা গিয়েছে। আরও বেশ কয়েকজন এ ঘটনায় জখম হয়েছে। পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। কি কারণে এই হামলা? তা জানার চেষ্টা চলছে। ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে প্রশাসন খুনিকে ধরে ফেলেছে। এ কথা জানানো হয়েছে।

অতিসম্প্রতি স্যামুয়েল প্যাটি নামে এক স্কুলশিক্ষককে গলা কেটে খুন করা হয় সেই দেশে। মুসলিম ধর্মাবলম্বী ছাত্র শিক্ষককে খুন করেছিল। শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মুক্তমনা। হজরত মহম্মদের ছবি সে দেখিয়েছিল। আসলে হজরত মহম্মদের চিত্র কখনওই প্রকাশিত হয়নি। কাজেই মুসলিম ধর্মের লোকদের কাছে এই ঘটনা যথেষ্ট অপমানজনক বলে মনে করা হয়েছে। সেই ঘটনার পর শিক্ষকের মাথা কেটে খুন করা হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।