বাইডেন আসার অনেক আগেই মেলানিয়াকে নিয়ে হোয়াইট হাউস ছাড়লেন ট্রাম্প

ফোর্থ পিলার

ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউস ছাড়লেন। প্রেসিডেন্ট শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলেন না। তার বেশ কিছুটা আগেই বেরিয়ে গেলেন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে। হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে হেলিকপ্টার উঠে পড়েন দুজনে। আমেরিকার রাজনৈতিক ইতিহাসে ট্রাম্প একজন অন্যতম চরিত্র হয়ে থাকবেন। এই কথাই বলছে রাজনৈতিক মহল। সৌজন্য তো দেখালেনই না। বরং এখনও তিনি নিজের হারকে মেনে নিতে পারেননি। নিজের কাছের মানুষদের বলেছেন, আবার ফিরে আসবেন।

ট্রাম্প জো বাইডেনকে শেষবেলায় শুভেচ্ছা জানিয়ে গিয়েছেন। একটি চিঠি লিখেছেন তিনি। ব্যাস এই টুকুই। এর বেশি কিছু ট্রাম্পের থেমে পাওয়া গেল না। শুধু আমেরিকার গণতন্ত্রে প্রথা অনুযায়ী বাইডেনের জন্য একটি চিঠি লিখে গেলেন। বিদায়ী রাষ্ট্রপতিরা নতুন রাষ্ট্রপতিকে হোয়াইট হাউসে অভ্যর্থনা জানান। তারপর নিজেদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন। কিন্তু সেই ধার মারাননি ট্রাম্প। ওয়াশিংটন ডিসির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি গেলেন। অবশ্য যাবেন না, আগেই জানিয়ে রেখেছিলেন।

দুবার ইমপিচ হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকার ইতিহাসে এই ঘটনা আরও দুই প্রেসিডেন্টের সঙ্গে হয়েছিল। ট্রাম্প তৃতীয় ব্যক্তি। ইতিমধ্যেই হাউসে ইমপিচ হয়েছেন তিনি। সেনেটেও ইমপিচমেন্ট আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে। ২৫ নম্বর সংবিধানের ধারা বদলের কথা বলা হচ্ছে। সেনেটে একই পরিণতি হলে ট্রাম্প আর কোথাও জায়গা পাবেন না। নিজের ঘনিষ্ঠ অনেককেই প্রেসিডেন্সিয়াল পারডন দিয়েছেন তিনি। এখানে ইমপিচ হলে আর কখনও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না।

দীর্ঘদিন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে আসেননি। দেশের বিতর্কিত রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম আমেরিকার ইতিহাসে লেখা হয়ে গিয়েছে অচিরে। তার অনুপ্রেরণায় রীতিমতো হামলা হয়েছে আমেরিকার সেনেটে। মারা গিয়েছেন পাঁচজন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমস্ত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট অ্যাকাউন্ট বন্ধ। টুইটার তিনি আর কখনও ব্যবহার করতে পারবেন না। ইউটিউবে তিনি কখনও আর কমেন্ট করতে পারবেন না। কাজেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের সূর্য অস্তমিত। একথা সকলেই মেনে নিয়েছেন এখন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।