বৃষ্টি কমে এলেও কাটছে না আদ্রতাজনিত অস্বস্তি, শরতেও ভ্যাপসা গরম

ফোর্থ পিলার

আকাশে পেঁজাতুলোর মেঘ। এদিকে ভ্যাপসা গরম। শরৎকালের এই আবহাওয়া কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের গত দেড় সপ্তাহে নিত্যসঙ্গী। পরিস্থিতি বলছে আদ্রতাজনিত অস্বস্তি কিছুতেই যাবে না। বর্ষাকাল যতদিন স্থায়ী রয়েছে, এই পরিস্থিতি থাকবেই। সূর্যের তেজ প্রায় বিকেল পর্যন্ত থাকছে। কখনও এক দুই ফসলা বৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে দক্ষিণবঙ্গে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকছে স্বাভাবিকের থেকে বেশ কয়েক ডিগ্রি বেশি।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, মধ্য ভারত থেকে এখনও বিদায় নেয়নি বর্ষা। তাই পশ্চিমবঙ্গের উপরেও বর্ষার প্রভাব থাকবে। বৃষ্টির পরিমাণ কমে এসেছে অনেকটাই। এই বৃষ্টি আর বাড়বে না। দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হতে পারে। তবে ভারী বর্ষণের কোনও সম্ভাবনা নেই। নিম্নচাপ বঙ্গোপসাগরের তৈরি হয়েছিল। তাও শক্তি হারিয়েছে। স্থলভাগের ঢোকার পরই সেটি দুর্বল হয়ে যায়। মূলত ওড়িশা উপকূলে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা ছিল।

এই মুহূর্তে বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি। ভ্যাপসা গুমোট পরিস্থিতি রয়েছে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে। আদ্রতাজনিত অস্বস্তিতে অক্টোবর মাসে দেখা দিয়েছে ঘাম। ভাদ্রমাস গিয়েও যেন যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতি কতদিন চলবে? সে বিষয়ে এখনও কোনও স্থিরতা দেয়নি আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আর এক সপ্তাহ বাদেই পুজো শুরু। মূলত অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে রাজ্যে ঠান্ডার অনুভূতি আসতে থাকে। সেই ইঙ্গিত আলিপুর আবহাওয়া দফতর দিয়েছে। কিন্তু কতটা পরিস্থিতি সে দিকে এগোবে? তার স্থিরতা নেই।

রাতের দিকে তাপমাত্রা নামছে। এই কথা ঠিক। ভোররাত্রে ঠান্ডাও যথেষ্ট পড়ছে। কিন্তু বেলা বাড়লে পরিস্থিতি সেই অস্বস্তিতে মাখামাখি। বুধবার সকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের উপর থাকার কথা আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ ৯৬ শতাংশ ও ৫৩ শতাংশ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।