ব্রাজিলে চিকিৎসকের মৃত্যু, অক্সফোর্ডের টিকা নিয়ে ফের উঠল প্রশ্ন

ফোর্থ পিলার

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের টিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল। এবার ব্রাজিলে করোনা টিকা ট্রায়াল’ রানের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিল। গবেষণায় যুক্ত হওয়া এক ব্যক্তি টিকা গ্রহণের পর মারা গিয়েছেন। এই কথা সামনে এসেছে। তাই নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তবে অ্যাস্ট্রোজেনেকা সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে তার শরীরে কোনও টিকা প্রয়োগ করা হয়নি। স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় ওই ব্যক্তি যোগ দিয়েছিলেন। এ কথা সত্যি। সে কারণে ব্রাজিলে টিকা পরীক্ষার কাজ বন্ধ করা হয়ন।

উৎপাদক সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকার তরফে এই বিষয়ে বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, “ট্রায়াল অনুসন্ধানকারীরা সমস্ত চিকিৎসাগত দিক সযত্নে খতিয়ে দেখছেন। নিরাপত্তা নজরদারিতে একটি স্বাধীন ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে এখনও পর্যন্ত ট্রায়াল চালিয়ে যাওয়া নিয়ে কোনও শঙ্কা প্রকাশ করা হয়নি।” এই সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। সে কারণে এই সংস্থার মাধ্যমে ব্রাজিলে টিকা পরীক্ষার কাজ চলছে।

যারা স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় কাজ করতে শুরু করেন, তাদের পরিচয় গোপন রাখা হয়। এক্ষেত্রেও তাই করা হয়েছিল। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম পরবর্তী সময়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। জানানো হয়েছে, ওই ব্যক্তি একজন চিকিৎসক। তার শরীরে করোনার টিকা প্রয়োগ করা হয়েছিল। তারপরেই তিনি অসুস্থ হন। মারা যান। অক্সফোর্ড টিকা নিয়ে রীতিমতো এর আগেও সমস্যা তৈরি হয়েছিল। আমেরিকায় জনসন এন্ড জনসন অক্সফোর্ডের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করছে। সেখানেও ট্রায়াল’ রান চলছিল। দুইজন অসুস্থ হয়ে পড়েন টিকা নেওয়ার পর। আমেরিকায় অক্সফোর্ডের টিকার ট্রায়াল রান তারপরেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। এখনও বন্ধ রয়েছে ট্রায়াল’ রান।

ব্রাজিলে ট্রায়াল রান বন্ধ করা হয়নি। জানানো হয়েছে, চিকিৎসকের শরীরে কোনও প্রতিষেধক প্রয়োগ করা হয়নি। তার আগেই তিনি মারা গিয়েছেন। কাজেই চিকা প্রয়োগের জন্য এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ কথা বলা যাবে না। ব্রিটেনের অক্সফোর্ড টিকা তৈরি করার জন্য কাজ করছে। বিভিন্ন জায়গা থেকেই অক্সফোর্ড টিকা সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছে। কতটা স্বচ্ছ অবস্থান এই টিকার মধ্যে রয়েছে তাই নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।