ব্রিটেনে লকডাউনের নিয়ম ভেঙে বিপদের মুখে প্রিয়াঙ্কা

ফোর্থ পিলার

করোনা ভাইরাসের জেরে গোটা বিশ্ব ভয়ে কম্পমান। এরই মধ্যে কোথাও কোথাও করোনার জন্য নতুন স্ট্রেন হানা দিচ্ছে। তেমনই গোটা ব্রিটেনেও করোনার নতুন স্ট্রেন হয়েছে। ইতিমধ্যেই করোনার জন্য দ্বিতীয়বার লকডাউনের কড়া নির্দেশ। লন্ডনে লকডাউনের নিয়ম ভাঙায় পুলিশি বিপাকে পরে বলিউডের “দেশি গার্ল”। তিনি দ্বিতীয়বার কড়া লকডাউন চলাকালীন বাড়ির বাইরে বেরোন। সেইজন্য নোটিশও পাঠানো হয় প্রিয়াঙ্কাকে।

তার পরবর্তী সিনেমা “টেক্সট ফর ইউ”- এর শুটিংয়ের জন্যই তাকে লন্ডনে পাড়ি দিতে হয়। হঠাৎই লন্ডনে করোনার জন্য দ্বিতীয় স্টেনের ঘোষণা করায় দেশি গার্ল লন্ডন থেকে লস অ্যাঞ্জেলসেতে ফিরে আসতে পারেননি। ফলে সেখানেই আটকে পড়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনস। এত অব্দি ঠিকই ছিল। কিন্তু হঠাৎই দেশি গার্ল-এর স্যালনে যাওয়ার ইচ্ছা হয়। তাই তিনি লন্ডনের স্থানীয় স্যালনে ঢুঁ মারতে যান। তার সঙ্গে ছিল তার মা মধু চোপড়া ও পোষ্য ডায়না এখানেই ঘটে বিপত্তি।

লন্ডনের পুলিশি নজরে পড়ায় তৎক্ষণাৎ তারা স্যালনে গিয়ে সাবধান করে প্রিয়াঙ্কাকে। একেই বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারী, ব্রিটেনের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর কপালে ভাঁজ তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে এই দ্বিতীয় স্ট্রেনের কড়া লোকডাউন দেখে। এরইমধ্যে প্রিয়াঙ্কার স্যালনে গিয়ে ঢুঁ মেরে আশায় তিনি বিপদে পড়েন। স্বাভাবিকভাবেই প্রিয়াঙ্কার এমন আচরণে নেটিজনদের একাংশই তার দায়িত্ব-কর্তব্যকে নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। যদিও পুলিশের তরফ থেকে এই ভারতীয় অভিনেত্রীকে কড়া বার্তাও দেওয়া হয়।

শুধু তাই নয়, পুলিশের তরফ থেকে স্যালনের কর্তৃপক্ষকেও সাবধান করা হয়। এরকম ঘটনা প্রথম হওয়ার জন্য কোন রকম জরিমানা নেওয়া হয়নি। যদিও এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন প্রিয়াঙ্কা ও তার টিম। তারা বলেন যে, তারা কোনও ব্যক্তিগত কারণের জন্য সেখানে যাননি। বরং একজন হলিউড তারকা হিসেবে সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু এর একদম উল্টো সুরে লেখা হয় সেখানকার স্থানীয় সংবাদপত্র, “সেখানে লেখা হয় প্রিয়াঙ্কা তার নিজস্ব ব্যক্তিগত কাজের জন্য সেশন বুক করেন ওখানে।”

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।