ভারতে করোনায় গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে, জানালেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ফোর্থ পিলার

লোকাল ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে গিয়েছে দেশে। অক্টোবরের মাঝামাঝি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন এই কথা জানালেন। বহু আগেই এই বিষয় নিয়ে ওয়াকিবহাল মহল মন্তব্য করছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার গোষ্ঠী সংক্রমণের কথা স্বীকার করে নেয়নি। রবিবার এই কথা নিজেই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এর আগে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) কখনও এই বিষয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেনি। প্রতিবারই বলা হয়েছিল গোষ্ঠী সংক্রমণের কোনও সম্ভাবনা ভারতে তৈরি হয়নি। তবে বিভিন্ন রাজ্য ভিত্তিতে গোষ্ঠী সংক্রমণ হয়েছে। সেই আন্দাজ করেছিল ওয়াকিবহাল মহল। মহারাষ্ট্র, গুজরাত, কেরল সহ একাধিক রাজ্যে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছিল। দিল্লিতে একসময় গোষ্ঠী সংক্রমণ হয়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও জানিয়েছেন, এই রাজ্যে গোষ্ঠী সংক্রমণের কথা। এত সময় পরে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই বিষয়ে মন্তব্য যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান করেন ডক্টর হর্ষ বর্ধন। তিনি বলেন, “ভারতে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়েছে। কিন্তু কিছু রাজ্য ও জেলাতেই সেগুলি সীমাবদ্ধ। বিভিন্ন রাজ্যের কিছু নির্দিষ্ট এলাকাতেই কমিউনিটি ট্রান্সমিশন দেখা গিয়েছে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের কিছু জনঘনত্ব পূর্ণ এলাকায় তা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু গোটা দেশে তা নয়। কিছু নির্দিষ্ট রাজ্যের নির্দিষ্ট জেলাতেই তা দেখা যাচ্ছে।”

উৎসব পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি জটিল আকার নেবে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে। ওনাম উৎসবের পরে কেরালা পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। গোষ্ঠী সংক্রমণ দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গে। দুর্গাপুজো উপলক্ষে মানুষের ঢল নেমেছে রাস্তায়। সংক্রমণ এই মুহূর্তে সর্বাধিক। কাজেই নভেম্বর মাসে পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক জায়গায় পৌঁছাবে। একথা আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।