মরু দেশে সেরা মুম্বই, আটে পাঁচ সাফল্য রোহিতের

ফোর্থ পিলার

গত আট বারের মধ্যে পাঁচবার। ২০১৩ সালে প্রথম রোহিত শর্মার হাতে আইপিএল ট্রফি উঠেছিল। এরপর থেকে কার্যত হট ফেবারিট হয়ে গিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। কোন মন্ত্রে ধারাবাহিক সাফল্য আসছে? তা সম্পূর্ণ অজানা। গোটা টিমের মধ্যে অভাবনীয় ছন্দ দেখতে পাওয়া যায়। তার উপর ভিত তৈরি হয় একটি ম্যাচের। এবারেও মরু দেশে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অপ্রতিরোধ্য হয়ে থাকল।

দিল্লি ডেয়ার ডেভিলসকে কার্যত হেলায় ফাইনাল ম্যাচে হারিয়েছেন রোহিতরা। প্রতিযোগিতায় ফাইনাল ম্যাচ হয় চরম আকর্ষণীয়। কিন্তু কোনও ছাপ রাখতে পারেনি দিল্লি। পরপর তিন উইকেট হারিয়ে শুরু থেকেই চুপসে গিয়েছিলেন দিল্লির ব্যাটসম্যানরা। শিখর ধাওয়ান, রাহানে ফাইনাল ম্যাচে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। দুরন্ত ৫০ রান করে সেই ভুল করলেন ঋষভ পন্থ। একইভাবে তাড়াহুড়ো করে আউট হয়ে গেলেন। কোনওভাবেই ১৫৬ রান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স- এর সামনে আদর্শ নয়। হলও তাই। মুম্বই ইন্ডিয়ানস কার্যত একপেশে খেলে ফাইনাল ম্যাচ পকেটে করে ডাগআউটে ফিরল। পাশাপাশি পঞ্চমবারের জন্য মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ঘরে ঢুকল আইপিএল ট্রফি।

প্রত্যেক খেলোয়াড়ই জয়কে আনন্দে মাতিয়ে তুলেছেন। রোহিত শর্মা নিজেও অত্যন্ত খুশি। ২০১৩ সালে তার হাত দিয়ে প্রথম এসেছিল মুম্বইয়ের ঘরে আইপিএল ট্রফি। কোন কারণে এভাবে একটি টিম অপ্রতিরোধ্য হয়ে পারে! তাই নিয়েও চর্চা চলছে। শুরু থেকেই গোটা টিম ছন্দে থাকে। ১১ জন মাঠের মধ্যে উপস্থিত। যারা খেলার সুযোগ পায় না, তারা অপেক্ষা করেন ভাল পারফর্ম করার জন্য। ঈশান কিশাণ, সূর্যকুমারের মতো তারকা সকলের নজরে এসেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স- এ থাকাকালীন।

কায়রন পোলার্ড হিটম্যান হিসেবে নজরকাড়া। মালিঙ্গা এই বছর আসেননি। বল হাতে মালিঙ্গা থাকলে পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হতে পারত! তা সকলেরই জানা। টিমে রয়েছে ডেথওভার স্পেশালিস্ট বুমরাহ। নিউজিল্যান্ড ফাস্ট বোলার বোল্ড এবার অসাধারণ ছন্দে ছিলেন। হার্দিক পান্ডিয়া ও ক্রুনাল পান্ডিয়া একইরকম ভূমিকায়। কাজেই আলাদা করে কাউকে নজর দেওয়ার অবস্থায় নেই। ব্যাট হাতে একইরকম সাবলীল ডি কক।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।