মাঝেরহাট ব্রিজ খোলার জন্য পথে বিজেপি, পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ

ফোর্থ পিলার

অবিলম্বে সাধারণ মানুষের জন্য মাজেরহাট ব্রিজ খুলতে হবে। এই দাবিতে আন্দোলনে নামল বিজেপি। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। গার্ডরেল ভেঙে বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে যাবার চেষ্টা করে। পুলিশকে ইট ছোঁড়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। বনধের দিন অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে তারাতলা এলাকা। বিজেপির দাবি, নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও পুলিশ দাবি করেছে তাকে গ্রেফতার করা হয়নি।

মাঝেরহাট তারাতলা ব্রিজ অবিলম্বে চালু করতে হবে কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে বলে খবর। কিন্তু এখনও জনসাধারণের জন্য সেই ব্রিজ খোলা হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার বামেদের ডাকে গোটা দেশজুড়ে চলছে ভারত বনধ। পশ্চিমবঙ্গেও তার প্রভাব পড়েছে অল্পবিস্তর। বৃহস্পতিবার দুপুরে কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও অন্যান্য নেতৃত্ব পথে নামেন। অবিলম্বে মাজেরহাট ব্রিজ খুলতে হবে। এই দাবিতে চলতে থাকে বিক্ষোভ। শুরু হয় মিছিল। পরিস্থিতি আরও জটিল হতে শুরু করে। এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। রাস্তাঘাটে গার্ডরেল দিয়ে আটকে দেওয়া হয়।

বিজেপি কর্মী সমর্থকদের আটকানো হচ্ছিল। কিন্তু পুলিশের বাধা ভেঙে তারা এগোতে যায়। গার্ডরেল ফেলে দেয় রাস্তার ধারে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকে। এই অবস্থায় ধস্তাধস্তি শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে। অভিযোগ বিজেপি কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়ে। এরপরেই পুলিশ পাল্টা লাঠি চালাতে শুরু করে। ছত্রভঙ্গ হয়ে যেতে থাকে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বেশ কয়েকজন জখম হন পুলিশের লাঠির গায়ে।

বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে পুলিশ গ্রেফতার করে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থককেও পুলিশ ধরে। যদিও প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে গ্রেফতার করা হয়নি। তিনি নিজেই বাসে উঠে পড়েছেন গ্রেফতার হওয়ার জন্য। নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে কড়া নিন্দা করেছেন। কৈলাস বিজয়বর্গীয় ছবি তোলার জন্য বাসে উঠেছেন। তাকে গ্রেফতার করা হয়নি। কিন্তু পুলিশকে বলা হচ্ছে তাকে গ্রেফতার করতে। এই কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ঘটনার পাল্টা মিছিল করছে তৃণমূল ওই এলাকায়। নেতৃত্বে রয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কোনওরকম প্ররোচনায় পা না দিতে সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হচ্ছে। তৃণমূলের দাবি পিডব্লুডি কাজ শেষ করে দিয়েছে অনেক আগেই। রেল ব্রিজ উদ্বোধনের অনুমোদন দিচ্ছে না। কেন্দ্রীয় সরকার কাজ আটকে রেখেছে। এদিকে রাজ্যে বিজেপি সেই বিষয় নিয়ে আন্দোলন করছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।