মৃত তরুণীর নাম সাবা খাতুন, বান্ধবীকে ঘিরে রহস্যের জাল

ফোর্থ পিলার

একবালপুরে বস্তাবন্দি তরুণীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল। পুলিশ তার পরিচয় জানতে পেরেছে। সাবা খাতুন নামে বছর কুড়ির ওই তরুণীর বাড়ি ওয়াটগঞ্জ এলাকায়। দিদিমার সঙ্গে সে থাকত। তবে ইদানিং এক বান্ধবীর সঙ্গে থাকতে আরম্ভ করেছিল। তার মৃত্যুতে বান্ধবীকে ঘিরে এখন রহস্যের জাল বিস্তার করেছে। রেশমা নামের ওই বান্ধবীর সম্পূর্ণ পরিচয় ও কার্যক্রম জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

প্রাথমিক তদন্তে রেশমাকে সন্দেহের তালিকায় প্রথমেই রাখা হচ্ছে। পুলিশ জানতে পেরেছে রেশমা মাদকাসক্ত। তার সঙ্গে বহু লোকের যোগাযোগ রয়েছে। তার বাড়িতে বহু পুরুষ মানুষের আনাগোনা থাকে। কোনও দুরূহ ঘটনার প্রেক্ষাপটে সাবা খাতুন খুন হয়ে গেল কিনা! সেই প্রশ্ন উঠে আসছে। রেশমা এই খুনের সঙ্গে কতটা জড়িয়ে রয়েছে? সে প্রশ্ন উঠছে। সাবার মোবাইল ফোনটির খোঁজ পাওয়া যায়নি। সেটির সন্ধান চলছে। পুলিশের অনুমান, কললিস্টের সূত্র ধরে একাধিক তথ্য সামনে আসবে।

পুলিশের অনুমান কোনও জায়গাতে রেশমাকে খুন করা হয়েছিল। তারপর বস্তাবন্দি মৃতদেহ রাস্তায় ফেলে যাওয়া হয়। রাত দুটো নাগাদ এই মৃতদেহ ফেলা হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। রেশমার সঙ্গে একাধিক পুরুষের যোগাযোগ রয়েছে। সেই সম্পর্কের অস্থিরতা থেকেই সাবা খুন হয়ে গেল? সেই প্রশ্ন রয়েছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হবে। মৃতদেহ কারা ফেলে গেল? সে সম্পর্কে সঠিক তথ্য ফুটেজ থেকে পাওয়া যাবে। সেই ফুটেজ সংগ্রহের কাজ ইতিমধ্যেই হয়েছে বলে খবর।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে স্থানীয়রা একটি বস্তা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন। একবালপুরের মৌলানা মহম্মদ আলী রোডে এই বস্তা পড়ে থাকতে দেখতে পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে বস্তাটি খোলে। দেখা যায় এক তরুণীর মৃতদেহ। পুলিশ মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। গলায় ফাঁসের দাগ রয়েছে। পুলিশের অনুমান শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।

মৃতার দিদাকেও এই বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কেন সে নিজের বাড়ি ছেড়ে রেশমার কাছে থাকতে গেল? কতদিন ধরে রেশমার সঙ্গে থেকেছে সাবা?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।