রাজ্যেও চলছে ভ্যাকসিন কর্মসূচি, আজ টিকা ২১ হাজারকে

ফোর্থ পিলার

রাজ্যেও শুরু হয়ে গিয়েছে টিকাকরণ কর্মসূচি। সম্পূর্ণ নির্দেশ মেনে চলছে এই কর্মসূচি। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম উপস্থিত আছেন এসএসকেএম হাসপাতালে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। রাজ্যের সব কটি সরকারি হাসপাতাল মেডিকেল কলেজে আজ টিকাকরণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। মেডিকেল কলেজে নির্মল মাঝি প্রথম টিকা নিয়েছেন। ফিরহাদ হাকিম উচ্ছ্বসিত টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হওয়ায়।

বেলা সাড়ে দশটায় প্রধানমন্ত্রী টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু করেন। রাজ্যেও তারপর শুরু হয় টিকাকরণ কর্মসূচি। কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, এনআরএস, আরজিকর হাসপাতালে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়ে যায়। সামাজিক দূরত্ব যাতে এক্ষেত্রে বজায় থাকে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। টিকা দেওয়ার পরে আধঘন্টা সেই ব্যক্তিকে আলাদা জায়গায় বসিয়ে রাখা হচ্ছে। তার কোনও রকম শারীরিক সমস্যা হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে নজর রাখছেন চিকিৎসকরা। ভ্যাক্সিনেশন প্রক্রিয়া যাতে সুষ্ঠুভাবে করা যেতে পারে, সেদিকে সম্পূর্ণ নজর রাখা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ টিকাকরণের ওপর নজর রাখবেন ভার্চুয়ালি অর্থাৎ ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে। প্রথম কয়েকজন টিকা নেওয়ার পর তাদের সঙ্গে কথাও বলতে পারেন তিনি। গোটা রাজ্যে ২১২ টি কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে টিকাকরণের জন্য। কলকাতায় ১৯টি কেন্দ্রে টিকাকরণ হবে। প্রথম দফায় করোনা টিকা দেওয়া হবে করোনা যোদ্ধাদের।

আজ শনিবার রাজ্যে ২১ হাজার টিকা দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। কলকাতায় টিকা দেওয়া হবে ১৯০০ জনকে। প্রথমে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দেওয়া হবে। কলকাতার পাঁচটি বরোতে এই টিকা কর্মসূচি চলছে। পরবর্তী পর্যায়ে পুলিশ প্রশাসনের লোকজ কে এই টিকা দেওয়া হবে। যারা টিকা নেবেন নির্দিষ্ট সময়ের আগেই হাসপাতাল চত্বরে চলে এসেছিলেন। তাদের প্রথমে অবজারভেশন রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক পরীক্ষা হয়। নির্দিষ্ট সময়ে তাদের টিকা দেওয়া হয়েছে।

এই খবর লেখা পর্যন্ত টিকাকরণ কর্মসূচি একঘন্টা পেরিয়েছে। প্রত্যেকটি হাসপাতালে চলছে টিকা দেওয়ার কাজ। টিকা দেওয়ার পর ওয়েটিং রুমে পাঠানো হচ্ছে সেই ব্যক্তিকে। তাকে আধঘন্টা সেখানে রাখা হচ্ছে। কি অবস্থা শারীরিকভাবে রয়েছে সেই সমস্ত দিকে খেয়াল রাখা হবে। তারপর টিকা নেওয়া সেই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হবে। মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম উচ্ছ্বসিত এই কর্মসূচি শুরু হওয়ায়। তিনি নিজে টিকাকরণ কর্মসূচিতে ট্রায়াল রানে ছিলেন। তিনি দুবার টিকা নিয়েছেন নির্দিষ্ট দিনে। তার কোনও শারীরিক সমস্যা হয়নি। গোটা দেশের মানুষদের কাছে পৌঁছে যাক টিকা। এই আশা করছেন ফিরহাদ হাকিম।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।