রাতের অন্ধকারে টেটের নিয়োগ হয়েছে, ফের বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

ফোর্থ পিলার

টেট নিয়ে আবারও দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই মুহূর্তে টেটের নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এই নিয়োগ নিয়েও দুর্নীতি করেছে। কোলাঘাটের মঞ্চ থেকে ফের অভিযোগ তুললেন শুভেন্দু। “রাতের অন্ধকারে টেটের নিয়োগ হয়েছে। সব কাটমানির বিনিময় তৃণমূলের লোকজন চাকরি পেয়েছে।”এই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু।

শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, “২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে এক কোটি ২০ লক্ষ বেকার নথিভুক্ত ছিল। আজ মাননীয়ার শাসনে দুই কোটি বেকার তৈরি হয়েছে বাংলায়। ২০১৪ সালের পর স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা হল না, শিক্ষক–শিক্ষিকা নিয়োগ হল না।” এরপরই গুরুতর অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “গত দু’‌দিন আগে রাতের অন্ধকারে ১৬ হাজার ৭০০ জনকে মোবাইলে মেসেজ করে টেটে নিয়োগপত্র দেওয়া হল। কাটমানির বিনিময়ে নেতাদের আত্মীয়স্বজনকে দেওয়া হয়েছে এই চাকরি।”

সরকার গঠন হওয়ার পর থেকেই শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এসএসসি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বহু বছর। টেট পরীক্ষা নিয়েও দুর্নীতি চলছিল। আদালতে দীর্ঘ সময় ধরে মামলা চলে। গত ২৩ ডিসেম্বর আদালত জানিয়েছিল, অবিলম্বে টেটের তালিকা মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে। রাজ্য সরকার জানিয়ে দেয় ১৬,৫০০ শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ হবে। ভোট প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হবে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয় নিয়েও আদালতে মামলা হয়েছে। শুনানি চলছে সেই মামলার। শুভেন্দু অধিকারী একাধিকবার শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি বিষয়বস্তু তুলে ধরেছেন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ আনছেন। শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিলেন শুভেন্দু।

শুভেন্দু অধিকারী এদিন অভিযোগ করেন, “বামফ্রন্টের সময় যে শূন্যপদ ছিল তা বাড়ানো তো হলই না। উল্টে সাড়ে পাঁচলক্ষ স্থায়ী চাকরির শূন্যপদ অবলুপ্ত করেছে এই সরকার। বদলে মিলেছে কয়েক হাজার চুক্তিভিত্তিক চাকরি। না আছে প্রভিডেন্ট ফান্ড। না আছে হেল্‌থ স্কিম। কর্মচারী হিসেবে তাঁরা স্বীকৃতিও পাননি। এদের বর্তমান বা ভবিষ্যত কিছুই নেই।”

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।