রাতে বাড়ির পাঁচিল টপকে পালায় কিশোরী, সকালে দেহ মিলল পুকুরে

ফোর্থ পিলার

রাতে বাড়ির পাঁচিল টপকে বেরিয়ে গিয়েছিল ১৬ বছরের কিশোরী। পরদিন সকালে বাড়ির পাশেই এক পুকুরে পাওয়া গেল তার মৃতদেহ। শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। বাড়ির লোকের অভিযোগ তাকে খুন করে পুকুরে ফেলা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার সাঁতরাগাছি থানা এলাকার দক্ষিণ বাকসারা দক্ষিণপাড়া এলাকায়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

বুধবার রাতে বাড়ির লোকেদের সঙ্গে খাওয়া-দাওয়ার পর শুতে গিয়েছিল বছর ১৬ – এর শ্রেয়শী ঘোষ। রাতে বাবা ঘুম থেকে উঠেছিলেন। দেখা যায় মেয়ে ঘরে নেই। বাড়ির এদিকওদিক খুঁজে দেখা হয়। কিন্তু তার কোনও সন্ধান মেলে না। বাড়ির দরজা তালা দেওয়া ছিল। অনুমান বাড়ির পাঁচিল টপকে শ্রেয়সী বাইরে গিয়েছে। রাতে কোনও এক বন্ধুর ফোন এসেছিল। এই কথা পুলিশের কাছে পরিবারের লোকজন জানিয়েছে। রাতে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি হয়। কিন্তু মেয়েকে কোথাও পাওয়া যায় না।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিবেশীদের মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার কথা জানান পরিবারের লোকজন। সকলেই খোঁজ শুরু করেন। এরপর বাড়ির কাছে একটি পুকুরে পাওয়া যায় কিশোরীর মৃতদেহ। শরীরে কয়েকটি স্থানে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। বাড়ির লোকের অভিযোগ রাতে তার বন্ধুরা ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। চক্রান্ত করে তাকে খুন করা হয়েছে। কে বা কারা ঘটনার সঙ্গে যুক্ত পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। কিশোরীর বাড়ির লোকের অভিযোগ পড়ার কোচিংয়ের বন্ধুদের সঙ্গে মাঝেমধ্যেই সে ঘুরতে বেরোত।

বন্ধুরা ফোন করে তাকে বাইরে ডাকত। তেমন কোনও ফোন বুধবার রাতে এসেছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শ্রেয়সীর সঙ্গে কারোর প্রেমের সম্পর্ক আছে কিনা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তার বাড়ির লোকেদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মেয়ের দুই বন্ধুর দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন পরিবারের লোকজন। তবে এই খবর লেখা পর্যন্ত বৃহস্পতিবার রাত অবধি তাদের কাউকে পুলিশ গ্রেফতার করেনি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।