রিহানাদের বিরুদ্ধে সরব শচীন, লতারা, সরকারের পক্ষে সওয়াল

ফোর্থ পিলার

কৃষক আন্দোলন আরও বড় আকার নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় এবার এই বিষয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশিষ্টরা আন্দোলনের পক্ষে সওয়াল করতে শুরু করেছেন। গ্রেটা থুনবার্গ, মিয়া খালিফা, রিহানারা টুইটারে এবার সরব হয়েছেন ভারতের কৃষক আন্দোলন নিয়ে। মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তারা বক্তব্য রেখেছেন।

জাতীয় সংহতি ও ঐক্য বজায় রাখার জন্য পাল্টা শুরু হয়ে গিয়েছে বক্তব্য রাখা। শচিন টেন্ডুলকর, বিরাট কোহলি, লতা মঙ্গেশকররা এবার টুইটে সরব হয়েছেন। ভারত সরকার আন্তর্জাতিক মহলে অস্বস্তিজনক অবস্থায় পড়তে পারে। এই আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভারতবিরোধী বলে আন্তর্জাতিক জনমত তৈরি হয়ে যেতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে ইন্ডিয়া এগেনস্ট প্রোপাগান্ডা সরকারের তরফে চালু করা হল এই হ্যাজট্যাগ।

শচিন টেন্ডুলকররা একইভাবে বক্তব্য রাখতে শুরু করেছেন। আন্তর্জাতিক মহলে যে বিষয়টি ছড়াচ্ছে, তা অর্ধসত্য। এই কথা পাল্টা প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। অক্ষয় কুমার করণ জোহর, কঙ্গনা রানাওয়াত, অজয় দেবগন প্রমুখ সেলিব্রেটিরাও বক্তব্য রাখছেন ভারত সরকারের পাশেই তারা দাঁড়িয়েছেন। হিসেব মতো ভারতে কৃষক আন্দোলন নিয়ে দুটি মহল আড়াআড়ি বিভক্ত হয়ে গেল। এ কথা পরিষ্কার।

দেশের ঐক্য ও সংহতি অটুট রাখার লক্ষ্যে বক্তব্য রেখেছেন শচীন টেন্ডুলকার। ভারতের সম্পূর্ণ নিজের বিষয় এটি। বাইরের কেউ এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করুক। এটা গ্রহণযোগ্য নয় ।একথা বলছেন অন্যান্যরাও। যদিও রিহানা তাদের বক্তব্যে সওয়াল করেই চলেছেন। গ্রেটা থুনবার্গ একইভাবে বক্তব্য রাখছেন।

ব্রিটিশ মন্ত্রিসভাতেও ভারতের কৃষক আন্দোলন নিয়ে বক্তব্য রাখা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল থেকে কৃষকদের পক্ষে সওয়াল করা শুরু হয়ে গিয়েছে। বিদেশমন্ত্রক তড়িঘড়ি টুইট করতে শুরু করেছে এই বিষয়ে। এই প্রতিবাদকে ভারতের গণতান্ত্রিক চরিত্র হিসেবে দেখা উচিত। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংগঠন মিলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা সামনে আসা উচিত। এই বিষয়ে জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক নেতারা মাঠে নেমেছে। টুইটারে শুরু হয়েছে আলোচনা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।