লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে পরিবারে অন্তর্ভুক্ত, ২৬ নম্বর সদস্য বাংলার গেছো ব্যাঙ

ফোর্থ পিলার

এতদিন তারা এগাছ ওগাছ লাফিয়ে বেরিয়েছে। তাদের নাগাল পাওয়া বড়ই দুঃসাধ্য। কালেভদ্রে দেখা গেলেও তাদের পেল্লাই লাফ চোখের নাগালকে নিমেষে যেন হারিয়ে দেয়। বাংলায় এরা গেছো ব্যাঙ নামে পরিচিত। তবে কোনও প্রজাতির মধ্যেই এতদিন তারা অন্তর্ভুক্ত ছিল না। শেষপর্যন্ত তার প্রাপ্য সম্মান পেল।

গুয়াহাটির উভয়চর বিশেষজ্ঞ জয়াদিত্য পুরকায়স্থ একাধিক আলোচনা চালাল এই বিষয়ে। চলে পরীক্ষা নিরীক্ষাও। শেষপর্যন্ত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও আলোচনা হয়। জিনগত বিশ্লেষণ চালানোর পর নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে এই ব্যাঙ পরিবারভুক্ত নয়। একে এবার পরিবারের সদস্য করতে হবেম এই ব্যাঙের বিজ্ঞানসম্মত নাম দেওয়া হয়েছে ‘পলিপেডেটস বেঙ্গেলেনসিস’।

বাংলায় একে গেছো ব্যাঙ বলেই ডাকা হয়। ব্যাঙ পরিবারে এরা ২৬ তম সদস্য। বাঁশ, কলা, কচু গাছের মধ্যেই এরা থাকতে পছন্দ করে। পুরুষ ব্যাঙের দৈর্ঘ্য ৫০.৩ মিলিমিটার, স্ত্রী ব্যাঙের দৈর্ঘ্য ৭২ মিলিমিটার। তবে এদের পেল্লাই লাফ সকলকেই ধাঁধায় ফেলে। এদের চোখের মাঝে দুটি তেকোনা দাগ রয়েছে। গায়ের রং হলদে। জেলার বিভিন্ন অংশে মাঝেমধ্যে দেখতে পাওয়া যায়। সচরাচর মানুষের সামনে তারা এসে পড়ে না।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।