ল্যান্ডফল শুরু হয়েছে, তিনঘণ্টার মধ্যেই আছড়ে পড়বে নিসর্গ

ফোর্থ পিলার

বিকেল পাঁচটার মধ্যেই অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ মহারাষ্ট্রের উপকূল আছড়ে পড়বে। গুজরাত উপকূলেও ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে এ কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ল্যান্ড ফল শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর। বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে সময় এগোলে। আগামী তিন ঘন্টা পরেই ঘূর্ণিঝড়ের চোখ উপকূলভাগে এসে আঘাত হানবে। একথা মৌসম ভবন থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় তিন ঘন্টা ধরে তাণ্ডব চালাবে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে।

মুম্বই এলাকায় চূড়ান্ত সর্তকতা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই মুম্বই, মহারাষ্ট্র উপকূল থেকে ১৯ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গুজরাতের দুটি এলাকা থেকেও ২০ হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। স্থলভাগের উপরে ১২০ থেকে ১২৫ কিলোমিটার গতিবেগে মধ্যে নিসর্গ আঘাত হানবে বলে খবর। এই মুহূর্তে নিসর্গের গতিবেগ ঘন্টায় ১২৫ কিলোমিটারের বেশি। স্থলভাগে ঢুকে তার গতিবেগ কিছুটা কমে যাবে। এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

এই প্রথম অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের সামনে পড়বে মুম্বই এমনটাই জানাচ্ছেন আবহবিদরা। আরব সাগরের উপকূল ভাগে কোনও মৎসজীবীকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। চরণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মেরিন ড্রাইভ অঞ্চল গতকাল থেকে ফাঁকা করে দেওয়া হয়েছে। মুম্বই শহরে যাতে কেউ রাস্তায় না বেরোন সেদিকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষকে বাড়ির ভিতরে থাকতেই নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

সমুদ্রের জল স্থলভাগে ছ’ফুট পর্যন্ত উঁচু ঢেউ দেখতে পাওয়া যেতে পারে। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের ৩০ টিরও বেশি দল কাজ করছে। ৪৫ জন কর্মী একেকটি দলে রয়েছে বলে খবর। আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে রয়েছে। চলছে ভারী বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল ১২ ঘণ্টা আগে থেকেই নিসর্গ তার অস্তিত্ব স্থলভাগের উপর জানান দিতে শুরু করবে।

ল্যান্ডফল হওয়ার আগে ঝড় ও অতি ভারী বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই হবে বলে সাবধানবাণী শোনানো হয়েছে। মেরিন ড্রাইভ এলাকার রাস্তাঘাট সম্পূর্ণ ফাঁকা সকাল থেকেই। ফাঁকা গুজরাতের উপকূলও। করোনা ভাইরাস আবহাওয়াতে কিছু মানুষ তাও রাস্তায় চলাচল করছিলেন। কিন্তু নিসর্গের আগমন হেতু আজ সম্পূর্ণ অন্য চেহারায় বাণিজ্যনগরী।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।