শার্দুল ঠাকুরের বল কি ওয়াইড ছিল! থামছে না বিতর্ক

ফোর্থ পিলার

শার্দুল ঠাকুরের সেই বলটি ওয়াইড ছিল কিনা, তা নিয়ে এখনও বিতর্ক চলছে। বিভিন্ন খেলোয়াড় আম্পায়ারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মহেন্দ্র সিংহ ধোনি আম্পায়ারকে প্রভাবিত করেছেন। সে কথা উঠে আসছে। শার্দুল ঠাকুরের ১৯ নম্বর ওভারের বলটি অফস্ট্যাম্পের বাইরে করে। ওয়াইড ছিল আম্পায়ার প্রথমে মনে করেছিলেন। কিন্তু মহেন্দ্র সিংহ ধোনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কি করে ওয়াইড হয়?

আম্পায়ার রাইফেল নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। ভিডিও আম্পয়ারের পরামর্শ গ্রহণ করেছিলেন তিনি। শেষপর্যন্ত ওয়াইড দেওয়া হয়নি। সেই ম্যাচ ২০ রানে সানরাইজ হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস। এখনও চেন্নাই পয়েন্ট টেবিলে একদম নিচের দিকে রয়েছে। সেইসময় টানটান উত্তেজনা। একেকটি বল খুব গুরুত্বপূর্ণ। ১৮ নম্বর ওভারে ১৯ রান করেছেন রশিদ খান। ১১ বলে ২৪ রান বাকি আছে। এই অবস্থায় ব্যাট করছেন রশিদ খান। বল করতে এসেছেন শার্দুল ঠাকুর। অফ স্টাম্পের বাইরে ওয়াইড ইয়োর্কার দিয়েছিলেন শার্দুল ঠাকুর।

ব্যাট নিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত সেই বল খেলতে পারেননি রশিদ খান। আম্পেয়ার হাত তুলে ওয়াইড দিতে চেয়েছিলেন। শার্দুল ঠাকুর প্রশ্ন করেন, কেন সেটি ওয়াইড? সেই সুরে একই প্রশ্ন তুলেছিলেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। ধোনির আবেদন শেষপর্যন্ত ফেলতে পারেননি আম্পায়ার। ওয়াইড হয়নি। উল্টোদিকে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ শিবিরে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়। ডেভিড ওয়ার্নারও বিরক্ত হন এই ঘটনায়। ধোনি আম্পায়ারকে প্রভাবিত করেছেন। একথা তিনি মনে করেন।

পরে রাইফেল নিজে বলেছেন তার বলটি ওয়াইড দেওয়া উচিত ছিল। তিনি আসলে সেই সময় বুঝে উঠতে পারেননি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অনেক ক্ষেত্রেই আম্পায়ার এরকম পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে যান। এক্ষেত্রে আম্পায়ারের কোনও ভুল নেই। তবে বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।