সংক্রান্তিতেও কি শীত পড়বে, সংশয়ে খোদ হাওয়া অফিস

ফোর্থ পিলার

দিন কয়েক পরেই পৌষ সংক্রান্তি। কলকাতা সহ শহরতলির বাসিন্দারা দুপুরে ফ্যান চালাচ্ছেন। সোয়েটার ও শীত পোশাক তুলে রাখা হবে কিনা তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা। চলতি বছর পশ্চিমবঙ্গের শীত কার্যত হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছে। আজ শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি।

আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও পুবালি হাওয়া এই পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণরূপে দায়ী। এক সপ্তাহ ধরেই ক্রমান্বয়ে বাড়ছিল সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। গত দুদিন ধরে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রয়েছে। আজ শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জানুয়ারি মাসের শীতকালে এই ঘটনা সাম্প্রতিক অতীতে দেখা যায়নি। এমনই মনে করছেন আবহবিদরা।

কবে পরিস্থিতির উন্নতি হবে? সেই সম্পর্কে এখনও কোনও সঠিক ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। শুধু তাই নয়, শীত সম্পূর্ণ বিদায় নিল কিনা! সেই সম্পর্কেও যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সংক্রান্তির সময় ঠান্ডা পড়তে পারে। কিন্তু তার স্থায়িত্বকাল সম্পর্কে এখনও কোনও ভরসা দেওয়া যাচ্ছে না। রাতে ও ভোরবেলায় শীতের আমেজ থাকছে শুধু। বেলা বাড়তে রোদের তেজ অনুভূত হচ্ছে। গোটা দিনই কার্যত গরম দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে।

রাজ্যে এই মুহূর্তে সম্পূর্ণ বসন্তের আবহাওয়া। পূবালী হাওয়া বইছে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। জলীয়বাষ্পের পরিমাণ যথেষ্ট বেশি। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ রয়েছে সর্বাধিক ৯৩ শতাংশ ও সর্বনিম্ন ৪২ শতাংশ। পৌষের শীতে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বেশি থাকছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প ঢুকে গিয়েছে অনেকটাই। পাশাপাশি উত্তর ভারত জুড়ে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা শীতের রাস্তা সম্পূর্ণ আটকে রেখেছে। হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল থেকে কনকনে শীতল বাতাস আর আসতে পারছে না।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।