সরকার চাইলে তিন মাসের মধ্যে ভ্যাকসিন পাবে ভারতের মানুষ, সোজাসাপটা দেবী শেঠি

ফোর্থ পিলার

কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে দেশের মানুষকে ভ্যাকসিন দ্রুত দিতে পারে। ভারতবর্ষের নাগরিকদের ভ্যাকসিন দিতে দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। যে পরিমাণ টাকা খরচ হবে, তাও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এমন কিছু নয়। সরকার চাইলেই ভ্যাকসিন ভারতবর্ষের সাধারণ মানুষ পেয়ে যেতে পারে। বিখ্যাত চিকিৎসক দেবী শেঠি এই বক্তব্য রেখেছেন।

আর এই বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে ফের কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেন্দ্রীয় সরকার দেশের টিকাকরণ ব্যবস্থার উপরে জোর দিচ্ছে না। সাধারণ মানুষের কাছে টিকা পৌঁছচ্ছে না। টিকা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি সরকার রাজনীতি করছে। এই অভিযোগ বিরোধীদের পক্ষ থেকে উঠেছে। কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে টিকার দামের ফারাক কেন হবে? তাই নিয়ে প্রশ্ন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তারপরেও খুব একটা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। এই অবস্থানে দাঁড়িয়ে ভারতের বেলাগাম করোনা পরিস্থিতি আরও দুশ্চিন্তায় ফেলেছে চিকিৎসকদের। এখানে কী ভূমিকা থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের? তাই নিয়ে জল্পনা চলছেই।

বিখ্যাত চিকিৎসক দেবী শেটি সংবাদ মাধ্যমে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেখানেই টিকার বন্টন ব্যবস্থা নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তিনি জানিয়েছেন, ভারতবর্ষে টিকাকরণের সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে দেশের মানুষ দুই থেকে তিন মাসে টিকা পেতে পারে। যে কোনও সংস্থাকে টিকার জন্য বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে। ১০ হাজার কোটি টাকা আগাম সেই সংস্থাকে দেওয়া হবে। দিনরাত এক করে সেই সংস্থা ভারতের জন্য টিকা তৈরি করবে। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে টিকাকরণের জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এখন অবধি ১৩ কোটি মানুষ দুটি টিকার ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন।

এক্ষেত্রে মনে করা হতে পারে আরও ৫১ কোটি মানুষ করোনার টিকা পাবেন। এই টিকার যোগান দেওয়া খুব একটা সমস্যার বিষয় নয়। কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে তিন মাসের মধ্যে ভারতে টিকাকরণ শেষ হয়ে যেতে পারে। আর্থিক সমস্যাও ভারতের হওয়ার কথা নয়। এই বক্তব্য নিয়ে এখন জল্পনা চলছে। কি কারণে টিকার জন্য এত হাহাকার তৈরি হল? প্রশ্ন ঘুরছে বিভিন্ন মহলে। সমালোচিত কেন্দ্রীয় সরকার।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।